📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় রাতের আঁধারে এক কৃষকের মাছের লেকের বাঁধ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। লাল মিয়া দাবি করেন, ৭ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে। জয়নাল মিয়া ও তার ছেলে দায়ী বলে অভিযোগ করা হলেও তারা দোষ অস্বীকার করেছেন
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় রাতের আঁধারে এক দরিদ্র কৃষকের মাছের লেকের বাঁধ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী লাল মিয়া দাবি করেছেন, এই অপরাধের ফলে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার গভীর রাতে মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের ইছাছড়া এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় রাতের আঁধারে মাছের লেকের বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 ভুক্তভোগী লাল মিয়া দাবি, ৬০ শতক জমির লেকে ২ টন মাছের মোট মূল্য সাড়ে ৭ লাখ টাকা
- 📌 জয়নাল মিয়া ও তার ছেলে আল আমিনকে দায়ী করে অভিযোগ করা হলেও তারা দোষ অস্বীকার করেছেন
- 📌 মাটিরাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন জানান, এ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি
📰 বিস্তারিত
মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাছড়া এলাকায় গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন লাল মিয়া। তিনি জানান, পৈতৃক জমিতে ৬০ শতক জমিতে দুই খণ্ডে লেক তৈরি করে প্রায় দুই বছর আগে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির কার্পজাতীয় মাছের পোনা ছাড়েন। বর্তমানে লেকের মাছের ওজন দুই থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত হয়েছে এবং মোট মজুদ প্রায় আড়াই টন। লাল মিয়া দাবি করেছেন, এই মাছের বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
লাল মিয়া বলেন, তার লেকের সীমানাসংলগ্ন জমি ও সেগুনবাগানের মালিক জয়নাল মিয়া। লেকের বাঁধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। প্রকাশ্যে বাঁধ কেটে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এর জেরেই মঙ্গলবার গভীর রাতে জয়নাল মিয়া ও তার ছেলে আল আমিন বাঁধ কেটে দেন বলে অভিযোগ করেন লাল মিয়া।
লাল মিয়া বলেছেন, “বাঁধ কেটে দেওয়ায় লেকের পানি বেরিয়ে যাচ্ছে। এতে সব মাছ ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আমাকে।”
জয়নাল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, লেকের বাঁধের কারণে তার বাগানের গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং টিলা ভেঙে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, বাঁধ কাটার সঙ্গে নিজে বা তার ছেলে জড়িত নন এবং প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন জানান, ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন এবং এ পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
"বাঁধ কেটে দেওয়ায় লেকের পানি বেরিয়ে যাচ্ছে। এতে সব মাছ ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আমাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন, খাগড়াছড়ি, ইছাছড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাল মিয়া, জয়নাল মিয়া, আল আমিন, মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখ টাকা (মাছের ক্ষতি), ৬০ শতক জমি, ২ টন মাছ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!