📌 গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি যুবককে অপহরণ করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভিযোগে জড়িত তিনজনকে নাম প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি যুবককে অপহরণ করে মারধর ও টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জড়িত তিনজন ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় একটি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোবিন্দগঞ্জে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ২৪ বছর বয়সী নয়ন মিয়া (দবির হোসেনের ছেলে) অপহরণ করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন মাহাবুর রহমান (৫২), দিলীপ চন্দ্র দাস (৪০) ও লুটু মিয়া (৫৫) — সবাই গোবিন্দগঞ্জের স্থানীয়
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নয়ন মিয়া জরিপপুর এলাকায় পথরোধ করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়
- 📌 জিম্মি রাখা হয় ফুলপুকুরিয়া বাজারের কাছে কলার জমিতে এবং মাহাবুরের দোকানে; নির্যাতন ও মারধর চালানো হয়
- 📌 ৩০ হাজার টাকা নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা ও অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন লাঠি-রড দিয়ে হামলা করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়
- 📌 স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় নয়ন ও আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়
- 📌 চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে ৫৫ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি যুবককে অপহরণ করে মারধর ও টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে মাহাবুর রহমান (৫২), দিলীপ চন্দ্র দাস (৪০) ও লুটু মিয়া (৫৫)। এই তিনজন সবাই গোবিন্দগঞ্জের স্থানীয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নয়ন মিয়া জরিপপুর এলাকায় পথে আসার সময় অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাঁকে ফুলপুকুরিয়া বাজারের কাছে একটি কলার জমিতে ও মাহাবুরের দোকানে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন চালানো হয়।
জিম্মিকারীরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে নয়নের শ্বশুরের কাছে মাদকসহ আটকের নাটক সাজিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। খবর পেয়ে নয়নের স্বজনেরা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ফুলপুকুরিয়া বাজারে গেলে মাহাবুর, দিলীপ ও লুটুসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন ব্যক্তি তাঁদের ওপর লাঠি ও রড দিয়ে হামলা চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় নয়ন ও আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নয়ন মিয়া বলেছেন, “আমি পুলিশ-প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।” থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি ফ্ল্যাট থেকে মনোয়ারা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার রাতে উদ্ধার করে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করলে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
"আমি পুলিশ-প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ, চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নয়ন মিয়া (২৪), মাহাবুর রহমান (৫২), দিলীপ চন্দ্র দাস (৪০), লুটু মিয়া (৫৫), মনোয়ারা বেগম (৫৫), ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা (মুক্তিপণ), ৩০ হাজার টাকা (দেওয়া হয়), ৮-১০ জন (অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি), ৫৫ বছর (মনোয়ারা বেগম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!