📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা হলের নিকটবর্তী একটি মেসে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে হত্যা করা হয়। তার বাবা জানান, মেসের লোকেরা এক লাখ টাকা চুরির অভিযোগ করে মারধর করে। হত্যার ঘটনায় আন্দোলন চলছে, কিন্তু পুলিশ এখনো আসামিকে আটক করতে পারেনি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের পাশে অবস্থিত একটি মেসে গত শুক্রবার রাতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে মারধর করে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় তার বাবা কুতুব উদ্দিন জানান, মেসের লোকেরা আজমুলের বিরুদ্ধে ভাত ও টাকা চুরির অভিযোগ করে এক লাখ টাকা চাওয়া শুরু করে। বাবা-ছেলের কথোপকথন থেকে ঘটনার বিস্তারিত বেরিয়ে আসছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা হলের নিকটবর্তী মেসে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনকে হত্যা করা হয়; তার বাবা মো. কুতুব উদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ খুঁজে পান
- 📌 আজমুলের মেসের লোকেরা চুরির অভিযোগ করে এক লাখ টাকা চাওয়া শুরু করে; বাবা জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, ‘চাচা, আপনার ছেলে এমন করসে, আপনি এক লাখ টাকা নিয়ে চলে আসেন’
- 📌 হত্যার ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী ও অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে; পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি
- 📌 হত্যার ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আন্দোলন চলছে; পাশের এলাকার বাসিন্দারা ‘আমি কিছু জানি না’ বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন
- 📌 হত্যার রাতে মেসের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ ছিল; করিডরে শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত জামাকাপড় ও জুতা পড়ে থাকতে দেখা যায়
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামনগর এলাকার রোড নামের রাস্তার পাশে অবস্থিত একটি মেসে গত শুক্রবার রাতে আজমুল হোসেনকে হত্যা করা হয়। আজমুল বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা কুতুব উদ্দিন জানান, আজমুল ফোন করে জানিয়েছিলেন যে মেসের লোকেরা তার বিরুদ্ধে ভাত ও টাকা চুরির অভিযোগ করে এক লাখ টাকা চাওয়া শুরু করেছে। বাবা জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেন, ‘ওরা সবাই আছে’। এরপর তারা বলেন, ‘চাচা, আপনার ছেলে এমন করসে, আপনি এক লাখ টাকা নিয়ে চলে আসেন’।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেসে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটি খোলা থাকলেও প্রতিটি কক্ষ তালাবদ্ধ ছিল। আজমুলের কক্ষের পাশেই ভবনের সিঁড়ি ছিল। হত্যার রাতে তাকে মারধর করে ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার পরেও ভবনটিতে কোনো শিক্ষার্থী বা বাসিন্দা পাওয়া যায়নি। করিডরে শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত জামাকাপড় ও জুতা-স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়।
হত্যার ঘটনায় খুলনার হরিণটানা থানায় নিহত আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দিন একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক চার শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে আজ বেলা পৌনে দুইটার মধ্যে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
হত্যার ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আন্দোলন চলছে। পাশের এলাকার বাসিন্দারা ‘আমি কিছু জানি না’ বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন। পাশের গলির এক প্রবীণ বলেন, ‘এখানে সব স্টুডেন্ট থাকে। একটা ঝামেলা হোক, কেউ চায় না। স্থানীয়দের চেয়ে এলাকায় ছাত্রই বেশি’।
"ওরা সবাই আছে।"
"চাচা, আপনার ছেলে এমন করসে, আপনি এক লাখ টাকা নিয়ে চলে আসেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের নিকটবর্তী মেস, ইসলামনগর এলাকা, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজমুল হোসেন (নিহত), কুতুব উদ্দিন (বাবা), ইকবাল হোসেন (হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (শিক্ষার্থী আসামি), ২০-২৫ (অজ্ঞাতনামা আসামি), ১ লাখ টাকা (চুরির অভিযোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!