📌 কুষ্টিয়া মিরপুরে পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী তিন বছরের শিশুর পরিবার হাসপাতালে হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এতে নারী চিকিৎসকসহ চারজন আহত হন। পুলিশ ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করেছে এবং গ্রেপ্তারি অভিযান চালাচ্ছে
কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুমৃত্যুর পর পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতালে হামলা করে ভাঙচুর চালায়। এতে নারী চিকিৎসকসহ চারজন আহত হন। শুক্রবার সকালে মিরপুর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাব্বির আহমেদের তিন বছরের ছেলে পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুমৃত্যুর পর পরিবার ও স্থানীয়রা হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে নারী চিকিৎসকসহ চারজন আহত হন।
- 📌 মৃত শিশু রাফি উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের সাব্বির আহমেদের ছেলে।
- 📌 হাসপাতালে আনা শিশুকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করার পর স্বজনরা চিকিৎসক ও কর্মীদের ওপর হামলা করেন।
- 📌 হামলায় আহত হন নারী মেডিকেল অফিসার জান্নাতুল রিয়া, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, জরুরি বিভাগের কর্মী ও আনসার সদস্য।
- 📌 পুলিশ ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করেছে এবং গ্রেপ্তারি অভিযান চালাচ্ছে।
- 📌 পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
📰 বিস্তারিত
মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুমৃত্যুর পর পরিবার ও স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। মৃত শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর স্বজনরা চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে অসদাচরণ করেন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পীযূষ কুমার সাহা জানান, শিশুকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর স্বজনরা চিকিৎসক ও কর্মীদের ওপর হামলা করেন।
হামলায় আহত হন নারী মেডিকেল অফিসার জান্নাতুল রিয়া, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, জরুরি বিভাগের কর্মী ও আনসার সদস্য। আহত চিকিৎসক জান্নাতুল রিয়া বলেন, শিশু হারানোর বেদনা সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হলেও হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করেছে। শিশুর বাবা সাব্বির আহমেদ জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন চিকিৎসক শিশুটির বুক পরীক্ষা করে কক্ষে চলে যান। এরপর ২০-২৫ মিনিট পর আরেকজন চিকিৎসক এসে পরীক্ষা করেন। ধাক্কাধাক্কির পর কক্ষের কাচ ভেঙে যায়। তবে কারও গায়ে ইচ্ছাকৃত আঘাত করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে জানান। এরপর স্বজনরা হাসপাতালের দরজা ও স্থাপনা ভাঙচুর করে চিকিৎসককে হেনস্তা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের পায়নি, তবে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করেছে এবং গ্রেপ্তারি অভিযান চালাচ্ছে।
"শিশু হারানোর বেদনা সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হলেও হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাব্বির আহমেদ (শিশুর বাবা), ডা. পীযূষ কুমার সাহা (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা), জান্নাতুল রিয়া (আহত নারী চিকিৎসক), শহিদুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন আহত, ২০-২৫ মিনিট (চিকিৎসা পরীক্ষা সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!