📌 খুলনায় চাঁদার দাবিতে নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা চালিয়ে ৮-৯ জন দুর্বৃত্ত রিসেপশন কাউন্টার ভাঙচুর করে এবং একজন নারীর মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সকলকে শনাক্ত করেছে
খুলনা শহরে চাঁদার দাবিতে নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আজ দুপুরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। খানজাহান আলী সড়কের এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা ৮-৯ জন যুবক হঠাৎ প্রবেশ করে এবং চাইনিজ কুড়াল দিয়ে রিসেপশন কাউন্টার, এসি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা রিসেপশনে থাকা একজন নারীর মোবাইলফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা সদর থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন রিপন জানান, ঘটনাস্থলের সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে সকল হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।
- 📌 ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 এই হামলা ঘটে ২৪ অক্টোবর বাবুখান রোডের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গুলি ও ভাঙচুরের ঘটনার পর।
- 📌 সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দ্বিতীয় শাখায়ও একদিন পর হামলা চালানো হয়েছিল।
- 📌 শামসুর রহমান রোডের আব্দুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১০ দিন আগে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন রিপন জানান, খুলনা শহরের খানজাহান আলী সড়কে অবস্থিত নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে সকলকে শনাক্ত করা গেছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাথায় ক্যাপ ও মুখে মাস্ক পরা ৮-৯ জন যুবক হঠাৎ ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে প্রবেশ করে। তারা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে রিসেপশন কাউন্টার, এসি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে রিসেপশনে থাকা একজন নারীর মোবাইলফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।
এই হামলা ঘটে ২৪ অক্টোবর বাবুখান রোডের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গুলি ও ভাঙচুরের ঘটনার পর। সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দ্বিতীয় শাখায়ও একদিন পর একদল দুর্বৃত্ত যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের অস্ত্র ঠেকিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এ ঘটনার ১০ দিন পর নগরীর শামসুর রহমান রোডের আব্দুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।
"খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলের সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে সকলকে শনাক্ত করা গেছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা সদর, খানজাহান আলী সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মো. লোকমান হোসেন রিপন, প্রত্যক্ষদর্শী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮-৯ জন দুর্বৃত্ত, ২৪ অক্টোবর, ১০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!