📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্বামীর অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণে একা লড়াই করে বিদেশি ফল চাষে সফলতা অর্জন খাদিজা আক্তার

স্বামীর অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণে একা লড়াই করে বিদেশি ফল চাষে সফলতা অর্জন খাদিজা আক্তার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্বামী হারানোর পর একা লড়াই করে খাদিজা আক্তার (৫৫) নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় নিজস্ব বাগানে কফি, রামবুটান, ড্রাগন ফল ও রঙিন মাছের পোনা চাষ শুরু করেন। বর্তমানে মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করে তিনি ৭৫ শতক জমি কিনেছেন।

স্বামী হারানোর পর একা লড়াই করে খাদিজা আক্তার (৫৫) নিজের কষ্টের গল্পকে সাফল্যের কাহিনীতে রূপান্তর করেছেন। নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সুনগর গ্রামের এই মহিলা স্বামীর স্বপ্ন পূরণে নিজের পাঁচ বিঘা জমিতে বিদেশি ফল ও কফি চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন এবং ৭৫ শতক জমি কিনেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৪ সালে স্বামী হারানোর পর একা লড়াই করে খাদিজা আক্তার (৫৫) নিজের পাঁচ বিঘা জমিতে কফি, রামবুটান, ড্রাগন ফল ও রঙিন মাছের পোনা চাষ শুরু করেন
  • 📌 বর্তমানে বাগানে ২ হাজার ৫০০ কফির চারা, ৩০০টি রামবুটান ও ২০০টি কোকোর চারা রয়েছে
  • 📌 প্রতি কেজি কফি বিক্রি হয় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়, রামবুটান বিক্রি হয় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়
  • 📌 গত বছর ৪০০ কেজি রামবুটান বিক্রি করে খাদিজা ৮০ কেজি ফলন পেয়েছেন এ বছর
  • 📌 ২০২৬ সালে জেলায় সেরা নারী কৃষি উদ্যোক্তার পুরস্কার পেয়েছেন খাদিজা

📰 বিস্তারিত

খাদিজা আক্তারের জীবনযাত্রার শুরু ছিল স্বামী ও দুই ছেলের সাথে সুখের। কিন্তু ২০১৩ সালে স্বামী নজরুল ইসলামের হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবন কঠিন হয়ে পড়ে। স্বামীর চিকিৎসায় মোটা অঙ্কের টাকা খরচ হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি বাঁচতে পারেননি। ২০১৪ সালের ২৯ মে স্বামী মারা যান। সেই সময় বড় ছেলে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষে এবং ছোট ছেলে একাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। বাবাকে হারানোর পর দুজন ছেলের পড়াশোনা ও সংসার চালানোর দায়িত্ব নেন খাদিজা।

স্বামীর কথা মনে রেখে তিনি শুরু করেন কফি চাষ। বাড়ির পাশের পতিত জমি পরিষ্কার করে ২০১৮ সালে কফির চারা লাগান। এরপর একে একে রামবুটান, কোকো, ড্রাগন ও প্যাশন ফ্রুটের চারা লাগান। তিন বছরের মধ্যে এসব গাছে ফলন শুরু হয়। বাগানের একপাশে কংক্রিটের হাউস বানিয়ে রঙিন মাছের পোনা চাষ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে বাগানে ২ হাজার ৫০০ কফির চারা, ৩০০টি রামবুটান ও ২০০টি কোকোর চারা রয়েছে।

খাদিজা বলেন, ‘আমি কফি খেতে পছন্দ করি। বড় ছেলে একদিন বলল, বাড়ির পাশের পতিত জমি পরিষ্কার করে কফির চারা লাগানো যায় কি না। আমি সায় দিই।’ বাগান থেকে আয় করা টাকায় তিনি ৭৫ শতক জমি কিনেছেন। বর্তমানে তিনি মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন।

"আমি স্বামীর কথা রেখেছি। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা, কৈমারী ইউনিয়ন, শৌলমারী সুনগর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদিজা আক্তার (৫৫), নজরুল ইসলাম (স্বামী), মো. আখতারুজ্জামান (বড় ছেলে), সেফায়েত নাসরাত (ছোট ছেলে)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর বয়স, ২০১৪ সালের ২৯ মে (স্বামী মৃত্যু), ২০১৮ (কফি চাষ শুরু), ২ হাজার ৫০০ কফির চারা, ৩০০টি রামবুটান চারা, ২০০টি কোকোর চারা, ১০টি রামবুটান গাছে ৪০০ কেজি ফলন, ৮০ কেজি ফলন এ বছর, মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖