📌 গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানায় ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ না করতে পারায় কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে
গাজীপুরের কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানায় ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ফটকে এই সিদ্ধান্তের নোটিশ প্রকাশিত হয়। ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গত ৬ জুন থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। এই সময়কালে লে-অফের মেয়াদ বারবার বাড়ানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের **৪টি কারখানায়** ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে
- 📌 **৬ জুন** থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে; গ্যাস বিল ও ব্যাংকিং জটিলতা কারণে
- 📌 **৮ সেপ্টেম্বর** থেকে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে
- 📌 শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে; কারখানার সামনে ভিড় করেছে শ্রমিকেরা
- 📌 **১০ বছর** ধরে কারখানায় কাজ করা শ্রমিক নজরুল ইসলাম বলেছেন, নতুন চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কম
- 📌 **৩০ কর্মদিবসের মধ্যে** ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে
- 📌 কারখানার সামনে **শিল্প পুলিশ ও গাজীপুর মহানগর পুলিশ** মোতায়েন করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কেয়া গ্রুপের নিট কম্পোজিট, স্পিনিং, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের কর্মচারীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় কারখানাগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অতিরিক্ত জনবলের কারণে উৎপাদন ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন বিভাগে পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।
ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। কারখানার সুইং সেকশনের অপারেটর **স্বপ্না বেগম** বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কাজ করছি। এখন চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো, সেটাই চিন্তার বিষয়।’ প্রায় **১০ বছর** ধরে কারখানায় কাজ করার দাবি করেন **নজরুল ইসলাম**। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি পাওয়াও কষ্টকর। চাকরি হারিয়ে যাওয়ায় তিনি অটোরিকশা চালানোর মতো কোনো বিকল্প পাননি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে নতুন কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে **শ্রম আইনের ২১ ধারা** অনুযায়ী ছাঁটাই হওয়া দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বর্তমান শ্রমিকদের লে-অফের সুবিধা পাবেন। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের **৩০ কর্মদিবসের মধ্যে** পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক **সাবিনা ইয়াসমিন**।
"দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কাজ করে আসছি। এখন চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব—সেটাই চিন্তার বিষয়।"
"বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি পাওয়াও কষ্টকর। চাকরি চলে যাওয়ায় এখন নিরুপায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, কোনাবাড়ী জরুন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপ্না বেগম, নজরুল ইসলাম, সাবিনা ইয়াসমিন, পরিচালক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২৭ জন শ্রমিক, ৪টি কারখানা, ৬ জুন, ৮ সেপ্টেম্বর, ১০ বছর, ৩০ কর্মদিবস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!