📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের ৬২৭ জন শ্রমিকের চাকরি বাতিল: শ্রমিকদের ক্ষোভে ভিড়

গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের ৬২৭ জন শ্রমিকের চাকরি বাতিল: শ্রমিকদের ক্ষোভে ভিড়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানায় ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ না করতে পারায় কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে

গাজীপুরের কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানায় ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ফটকে এই সিদ্ধান্তের নোটিশ প্রকাশিত হয়। ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় গত ৬ জুন থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে। এই সময়কালে লে-অফের মেয়াদ বারবার বাড়ানো হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের কেয়া গ্রুপের **৪টি কারখানায়** ৬২৭ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে
  • 📌 **৬ জুন** থেকে কারখানাগুলো লে-অফে রয়েছে; গ্যাস বিল ও ব্যাংকিং জটিলতা কারণে
  • 📌 **৮ সেপ্টেম্বর** থেকে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে
  • 📌 শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে; কারখানার সামনে ভিড় করেছে শ্রমিকেরা
  • 📌 **১০ বছর** ধরে কারখানায় কাজ করা শ্রমিক নজরুল ইসলাম বলেছেন, নতুন চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কম
  • 📌 **৩০ কর্মদিবসের মধ্যে** ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে
  • 📌 কারখানার সামনে **শিল্প পুলিশ ও গাজীপুর মহানগর পুলিশ** মোতায়েন করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

কেয়া গ্রুপের নিট কম্পোজিট, স্পিনিং, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেডের কর্মচারীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ব্যাংকিং জটিলতা ও গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারায় কারখানাগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। অতিরিক্ত জনবলের কারণে উৎপাদন ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন বিভাগে পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। কারখানার সুইং সেকশনের অপারেটর **স্বপ্না বেগম** বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কাজ করছি। এখন চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো, সেটাই চিন্তার বিষয়।’ প্রায় **১০ বছর** ধরে কারখানায় কাজ করার দাবি করেন **নজরুল ইসলাম**। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি পাওয়াও কষ্টকর। চাকরি হারিয়ে যাওয়ায় তিনি অটোরিকশা চালানোর মতো কোনো বিকল্প পাননি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে নতুন কর্মী নিয়োগের প্রয়োজন হলে **শ্রম আইনের ২১ ধারা** অনুযায়ী ছাঁটাই হওয়া দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বর্তমান শ্রমিকদের লে-অফের সুবিধা পাবেন। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের **৩০ কর্মদিবসের মধ্যে** পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছেন কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক **সাবিনা ইয়াসমিন**।

"দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কাজ করে আসছি। এখন চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব—সেটাই চিন্তার বিষয়।"
"বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি পাওয়াও কষ্টকর। চাকরি চলে যাওয়ায় এখন নিরুপায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর, কোনাবাড়ী জরুন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপ্না বেগম, নজরুল ইসলাম, সাবিনা ইয়াসমিন, পরিচালক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২৭ জন শ্রমিক, ৪টি কারখানা, ৬ জুন, ৮ সেপ্টেম্বর, ১০ বছর, ৩০ কর্মদিবস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖