📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালকাঠি: নদী ভাঙন প্রতিরোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন আশা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
ঝালকাঠি: নদী ভাঙন প্রতিরোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন আশা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝালকাঠি জেলায় নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, একনেকের অনুমোদন পেলে বড় সমস্যা সমাধান হবে।

ঝালকাঠি জেলায় নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল রোববার জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের অনুমোদন পেলে নদী ভাঙনের মতো বড় সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝালকাঠি জেলায় নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে
  • 📌 রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, একনেকের অনুমোদন পেলে নদী ভাঙনের সমস্যা সমাধান হবে
  • 📌 জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম জামাল
  • 📌 সভায় জেলার উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষাব্যবস্থা, নদী খনন, সেতু নির্মাণ ও স্পোর্টস ভিলেজ স্থাপনের বিষয় আলোচিত হয়
  • 📌 সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা

📰 বিস্তারিত

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। তিনি বলেন, নদী ভাঙন রোধে দুইশ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। একনেকের অনুমোদন পেলে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদী ভাঙনের মতো বড় সমস্যা সমাধান হবে।

সভায় জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার, জেলার নামের বানান পরিবর্তন, ধানসিঁড়ি ও অন্যান্য নদী খনন, বাসন্ডা সেতু, ছৈলার চর, ইকোপার্ক ও কালচারাল ভিলেজের উন্নয়ন, পেয়ারা বাগানের উন্নয়ন, বিসিক শিল্পনগরীর ব্যবস্থাপনা, নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং স্পোর্টস ভিলেজ স্থাপন। পাশাপাশি জেলার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমের সমন্বয়, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জনসেবার মান বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

"পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন শুধু চিঠি চালাচালির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে"

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মামুন আল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমান উল্লাহ সরকার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিরোধ বরণ জয়ধর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মাহমুদউল্লাহ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি এবং কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি জেলা, জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল ইসলাম জামাল, মো. মমিন উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুইশ’ কোটি টাকা, সাড়ে ১০টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖