📌 জামালপুরে রাজিব পরিবহনের দুটি বাস ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য দূরপাল্লার বাস ধর্মঘট শুরু হয়েছে। ধর্মঘটের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন জানিয়েছে, চালক-শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে
জামালপুরে রাজিব পরিবহনের দুটি বাস ভাঙচুর ও পরিবহনশ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য দূরপাল্লার বাস ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জামালপুর জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন এই ধর্মঘটের ডাক দেয়। ধর্মঘটের কারণে জামালপুর-ময়মনসিংহ হয়ে ঢাকা এবং জামালপুর-টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকার পথে সব ধরনের দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজিব পরিবহনের দুটি বাস ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু
- 📌 ধর্মঘটের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল রুটে সব ধরনের দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ
- 📌 শ্রমিক ইউনিয়ন জানিয়েছে, চালক-শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে
- 📌 গত মঙ্গলবার রাতে রাজিব পরিবহনের একটি বাসের চাপায় চারজন নিহত হন
- 📌 ধর্মঘটের সময়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে
📰 বিস্তারিত
জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকায় রাজিব পরিবহনের দুটি বাস ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে জামালপুর জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে। ধর্মঘটের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল রুটে সব ধরনের দূরপাল্লার বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন জানিয়েছে, চালক ও সহকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
গত মঙ্গলবার রাতে রাজিব পরিবহনের একটি বাসের চাপায় চারজন নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার নান্দিনা বাজার এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় আন্দোলনকারীরা রাজিব পরিবহনের দুটি বাস আটকে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে চালক ও সহকারীদের মারধর করেন। পরে বাস দুটির ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ জানান, রাজিব পরিবহনের বাস ভাঙচুরের পাশাপাশি চালক ও সহকারীদের মারধর করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পরিবহনশ্রমিকেরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও জানান, চালক-শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানিয়েছেন, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, পরিবহনশ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
"চালক-শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পরিবহনশ্রমিকেরা কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর সদর উপজেলা, নান্দিনা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুনুর রশিদ (জামালপুর জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক), নাজমুস সাকিব (জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন নিহত (মঙ্গলবার রাতে), দুটি বাস ভাঙচুর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!