📌 রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামের নির্দেশ উপেক্ষা করে এমদাদুল হক আমিন জমি দখল করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, জমির মূল্য কোটি টাকার বেশি হলেও অবৈধভাবে নির্মাণ চলছে
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। পৌর ভূমি অফিসের প্রায় চার শতক জমি দখল করে এমদাদুল হক আমিনের নামের ব্যক্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামের নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, জমির মূল্য কোটি টাকার বেশি হলেও অবৈধভাবে নির্মাণ চলছে এবং পৌর ভূমি কর্মকর্তা বকুল মিয়ারের সাথে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের বদরগঞ্জ পৌর ভূমি অফিসের পাশে প্রায় ৪ শতক জমিতে এমদাদুল হক আমিনের নামের ব্যক্তি অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন।
- 📌 উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামের নির্দেশ উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 পৌর ভূমি কর্মকর্তা বকুল মিয়ার দাবি করেছেন, এমদাদুল হক ৯০-এর দশকে জমি লিজ নিয়েছিলেন, কিন্তু কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
- 📌 এমদাদুলের ছেলে রিফাত দাবি করেছেন, জমিটি তাদের নিজস্ব এবং বৈধ কাগজপত্র রয়েছে — তবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
- 📌 স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দখলকৃত জমির মূল্য কোটি টাকার বেশি এবং পৌর ভূমি অফিসের ৫০ গজের মধ্যে অবস্থিত।
- 📌 উপজেলা সহকারী কমিশনার ছামিউল ইসলাম বলেছেন, জমির বৈধ মালিকানা প্রমাণ না দেখায়নি বলে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যক্তি এমদাদুল হক আমিনের নামের ব্যক্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলামের নির্দেশ উপেক্ষা করে পৌর ভূমি অফিসের পাশে প্রায় চার শতক জমি দখল করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, জমির মূল্য কোটি টাকার বেশি হলেও অবৈধভাবে নির্মাণ চলছে এবং পৌর ভূমি কর্মকর্তা বকুল মিয়ারের সাথে যোগসাজশের অভিযোগ রয়েছে।
পৌর ভূমি কর্মকর্তা বকুল মিয়ার দাবি করেছেন, এমদাদুল হক ৯০-এর দশকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জমিটি লিজ নিয়েছিলেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, লিজের শর্ত বা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এমদাদুলের ছেলে রিফাত দাবি করেছেন, জমিটি তাদের নিজস্ব এবং বৈধ কাগজপত্র রয়েছে — তবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দখলকৃত জমির মূল্য কোটি টাকার বেশি এবং পৌর ভূমি অফিসের ৫০ গজের মধ্যে অবস্থিত। তারা দাবি করেছেন, এমদাদুল হক পৌর ভূমি কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছামিউল ইসলাম বলেছেন, ‘আমি উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। অভিযোগ পেয়ে সম্প্রতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ সময় জমির বৈধ মালিকানা বা লিজের কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরও কাজ চলতে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"আমি উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। অভিযোগ পেয়ে সম্প্রতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ সময় জমির বৈধ মালিকানা বা লিজের কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরও কাজ চলতে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বদরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমদাদুল হক আমিন, বকুল মিয়ার, ছামিউল ইসলাম, রিফাত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ শতক জমি, ৯০-এর দশক, ৫০ গজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!