📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রতিবন্ধী হারুনের জীবনের একমাত্র ভরসা: ৩ হাজার টাকার দোকান এবং প্রতিদিনের কষ্টের গল্প

প্রতিবন্ধী হারুনের জীবনের একমাত্র ভরসা: ৩ হাজার টাকার দোকান এবং প্রতিদিনের কষ্টের গল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী চরে বসবাসকারী ২৮ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী হারুন দিনে ২০০-২৫০ টাকা আয় করে চারজনের সংসার চালান। নদীভাঙনে বাড়ি হারিয়ে অন্যের জায়গায় টিনের ঘর তুলে বসবাস করছেন তিনি। প্রতিবন্ধী ভাতা ও দোকান থেকে আয়েই চলছে তাঁর জীবন।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী চরে বসবাসকারী ২৮ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী হারুনের জীবনের একমাত্র ভরসা হলো তার ছোট্ট দোকান। এই দোকান থেকে দিনে মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আয় হয়, যা চারজনের সংসার চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। নদীভাঙনে বাড়ি হারিয়ে অন্যের জায়গায় টিনের ঘর তুলে বসবাস করছেন হারুন। তার দোকানে সাজানো আড়াই থেকে তিন হাজার টাকার পণ্য সাজানো রয়েছে, যা প্রতিদিনের জীবনযাপনের একমাত্র উৎস।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২৮ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী হারুন** সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী চরে বসবাস করেন, যেখানে তার বাড়ি নদীভাঙনে চলে গেছে।
  • 📌 **দিনে ২০০-২৫০ টাকা আয়** করে চারজনের সংসার চালান হারুন, যার মধ্যে বাবা, মা, এক ভাগ্নি এবং তিনি নিজে।
  • 📌 **৩ হাজার টাকার পণ্য** নিয়ে ছোট্ট দোকানটি তার একমাত্র আয়ের উৎস, যেখানে বিস্কুট, চানাচুর, চা ও মুদি পণ্য বিক্রি হয়।
  • 📌 **প্রতিবন্ধী ভাতা ২ হাজার ৫০০ টাকা** পেয়ে তিন মাস পরপর, যা দোকানের আয়ের পাশাপাশি সংসার চালাতে সাহায্য করে।
  • 📌 **৪ বছর আগে বিয়ে করা স্ত্রী** টাকা-পয়সা না থাকায় সংসার ছেড়ে চলে গেছেন। বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন, তাদের কষ্ট দেখে হারুন দুঃখ প্রকাশ করেন।
  • 📌 **শিক্ষা দিবস উদযাপনে বরিশালে** শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক সুজন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন।

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ী চরে বসবাসকারী হারুনের বাড়ি নদীভাঙনে চলে গেছে। এখন তিনি অন্যের সাত শতাংশ জায়গায় টিনের ঘর তুলে বসবাস করছেন। ছোটবেলায় তিনি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন, কিন্তু নদীভাঙনের পর পড়াশোনা থেমে যায়। তার বোনের একজনের বিয়ে হয়েছে গ্রামেই, আরেকজন ঢাকায় চাকরি করে থাকেন।

হারুন প্রতিদিন সকাল থেকে তার ছোট্ট দোকানে বসে থাকেন। দোকানে বিস্কুট, কেক, চানাচুরসহ নানা ধরনের মুদি পণ্য সাজানো থাকে। দিন শেষে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মতো আয় হয়, যা দোকানের কাজে সহযোগিতা করেন তার বাবা সাত্তার শেখ। হারুন বলেন, ‘দোকানের আয় আর তিন মাস পরপর ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রতিবন্ধী ভাতা পাই। সব মিলিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়।’

হারুনের জীবনে আরেকটি কষ্ট হলো বিয়ে। চার বছর আগে বিয়ে করেছিলেন, কিন্তু এক বছর পর স্ত্রী টাকা-পয়সা না থাকায় সংসার ছেড়ে চলে গেছেন। বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেছেন, তাদের কষ্ট দেখলে হারুন দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বাবা-মা বৃদ্ধ হয়ে গেছে। তাঁদের কষ্ট দেখলে ভালো লাগে না।’

"আমাদের বাড়ি নদীর পাশেই ছিল। বছর খানেক আগে নদীতে ভেঙে গেছে। এরপর অন্যের জায়গায় ঘর তুলে থাকছি। নিজের জায়গা-জমি কিছুই নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খাসরাজবাড়ী চর, কাজীপুর উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুন (২৮ বছর, প্রতিবন্ধী), সাত্তার শেখ (বাবা), সুজন আহমেদ (সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০-২৫০ টাকা (দিনে আয়), ৩ হাজার টাকা (দোকানের পণ্য), ২ হাজার ৫০০ টাকা (প্রতিবন্ধী ভাতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖