📌 গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে হোটেলে খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা-কর্মচারী বিতর্কে হামলা-ভাঙচুর ঘটে। স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক হোটেলে আক্রমণ করে। ১৫ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন এবং ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৭০-৮০ লাখ টাকা। পুলিশ তিন কর্মচারীকে আটক করেছে
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় হোটেলের খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিতর্কে রাতের আঁধারে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বরিশাল গেট চাইনিজ অ্যান্ড বাংলা হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে এই ঘটনা সংঘটিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাবার খাওয়ার পর বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে হোটেলের কর্মচারীরা ক্রেতাদের ওপর হামলা চালায়। এরপর স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে হোটেলে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে হোটেলে খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা-কর্মচারী বিতর্কে হামলা-ভাঙচুর ঘটে
- 📌 স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক হোটেলে আক্রমণ করে
- 📌 হোটেলের ১০-১৫ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন এবং ২০ লাখ টাকা নগদসহ ৭০-৮০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে
- 📌 পুলিশ তিন কর্মচারীকে আটক করেছে, পলাশ শেখের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি
- 📌 সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন
📰 বিস্তারিত
গতকাল রাত ৮টার দিকে বরিশাল গেট চাইনিজ অ্যান্ড বাংলা হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে হামলা শুরু হয়। হোটেলের মালিক এ এস এম মামুন জানান, খাবারের বিল কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের সঙ্গে কর্মচারীদের বিতর্কে উত্তেজনা বাড়ে। এরপর স্থানীয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে একটি দল হোটেলে হামলা করে। এই হামলায় হোটেলের ১০-১৫ জন কর্মচারী আহত হয়েছেন এবং নগদ ২০ লাখ টাকাসহ অন্তত ৭০-৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় তিন কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের এমপি আমান উল্লাহ আমান মন্তব্য করেন, ‘অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন ও সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি গোষ্ঠী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের বাজার অস্থির করার চেষ্টা করছে।’
"হোটেলের খাবারের বিল দেওয়া নিয়ে ক্রেতা ও কর্মচারীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ (চরপ্রসন্নদি এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ শেখ, এ এস এম মামুন, আলমগীর হোসেন, আমান উল্লাহ আমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০-৫০ জন হামলাকারী, ১০-১৫ জন আহত কর্মচারী, ২০ লাখ টাকা নগদ, ৭০-৮০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!