📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শরতের নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা: শতবর্ষের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে স্থানীয়রা

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শরতের নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা: শতবর্ষের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে স্থানীয়রা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শরতের শুরুতে নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা চলছে। শতবর্ষের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছে স্থানীয়রা। নদ-নদীর পানি বাড়ায় নৌকার চাহিদা বেড়েছে, যার ফলে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা ভিড়ে উঠেছে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় শরতের শুরুতে ঐতিহ্যবাহী নৌকার হাটে আবারও জমজমাট বেচাকেনা চলছে। বর্ষা পেরিয়ে শরতের শুরুতে নদ-নদীতে পানি বাড়ায় স্থানীয়দের নৌকার চাহিদা বেড়ে গেছে। এতে ঘিওরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রতি বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকার হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় লেগে থাকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঘিওর উপজেলার ঈদগাহ মাঠে প্রতি বুধবার শরতের শুরুতে নৌকার হাটে জমজমাট বেচাকেনা চলছে
  • 📌 নৌকার দাম ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন আকার ও মান অনুযায়ী নির্ধারিত
  • 📌 ব্রিটিশ শাসনামলের প্রথম শতাব্দীতে এই হাটে গরু, পাট ও ধানের বাণিজ্য হতো, বর্তমানে নৌকার হাটের ঐতিহ্য টিকে আছে
  • 📌 নৌকার কারিগরদের জীবিকা নির্ভর করে এই হাটে, তবে উপকরণের দাম বাড়ায় ব্যবসায়িক চাপ বেড়েছে
  • 📌 মানিকগঞ্জের পাশাপাশি ঢাকার সাভার, ধামরাই ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর থেকেও ক্রেতারা আসছেন

📰 বিস্তারিত

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে প্রতি বুধবার শরতের শুরুতে নৌকার হাটের আয়োজন করা হয়। বর্ষা পেরিয়ে শরতের শুরুতে নদ-নদীতে পানি বাড়ায় স্থানীয়দের নৌকার চাহিদা বেড়ে গেছে। এই হাটে বিভিন্ন আকার ও মানের নৌকা বিক্রি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দিন সরকার বলেন, তিনি প্রায় ১৬ বছর ধরে এই হাটে নৌকা বিক্রি করছেন। তিনি জানান, নদী-খাল-বিলে পানি যতদিন থাকবে, হাটও ততদিন চলবে। তবে এবার পানি কমতে শুরু করায় নৌকার বিক্রিও কমছে বলে তিনি জানান।

অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক মোহাম্মদ সিরাজ খান জানান, ব্রিটিশ শাসনামলের আঠারো শতকের প্রথম দিকে এই হাটে গরু, পাট ও ধানের বাণিজ্য হতো। ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসতেন। তবে বর্তমানে এই হাটের মূল আকর্ষণ হলো নৌকার বেচাকেনা।

নৌকার কারিগর সুবল সরকার জানান, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে নৌকা তৈরি করছেন। তিনি বলেন, আম, জাম, ঝিকা, ডুমরা, মেহগনি, কড়ই ও চাম্বুল কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করা হয়। তবে চাম্বুল ও কড়ই কাঠের নৌকার চাহিদা বেশি। অধিকাংশ ক্রেতাই ছোট ও মাঝারি আকারের নৌকা কিনে থাকেন। তিনি আরও জানান, কাঠ, পেরেক, মজুরি ও পরিবহনসহ নৌকা তৈরির উপকরণের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে নৌকার দামেও।

"আম, জাম, ঝিকা, ডুমরা, মেহগনি, কড়ই ও চাম্বুল কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করা হয়। তবে চাম্বুল ও কড়ই কাঠের নৌকার চাহিদা তুলনামূলক বেশি।"

দৌলতপুর উপজেলার হাটাইল গ্রামের আব্দুর রহমান নিজের প্রয়োজনেই এসেছেন এই হাটে। তার মাছ ও হাঁসের খামার রয়েছে। তিনি বলেন, আগের নৌকাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন নৌকা কিনতে এসেছেন। তিনি চাম্বুল কাঠের ৭ হাতের একটি নৌকা পছন্দ করেন, যার দাম সাড়ে ৫ হাজার টাকা। তিনি বলেন, আগের তুলনায় নৌকার দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে খামারের কাজের জন্য নৌকা প্রয়োজন হওয়ায় কিনতেই হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঘিওর উপজেলা সদর, মানিকগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সিরাজ খান, রমিজ উদ্দিন সরকার, সুবল সরকার, আব্দুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা (নৌকার দাম), ১৬ বছর (ব্যবসা চলমান), ৭ হাতের নৌকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖