📌 তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা দাবিতে গাজীপুরে সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশের একটি গাড়ি ও ১৪টি যানবাহন ভাঙচুর হয়। ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকরা ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা দাবিতে সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ও কমপক্ষে ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় তৈরি পোশাক শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন
- 📌 পুলিশের একটি গাড়ি ও ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়
- 📌 ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে
- 📌 শ্রমিকরা দাবি করছেন ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করা হোক
- 📌 শ্রমিকরা বলছেন বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ইন্টারস্টপ কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে আশপাশের কারখানার শ্রমিকেরা তাদের সঙ্গে যোগ দেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শ্রমিকরা বলেন, বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। চাল, ডাল, তেলসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে, কিন্তু বেতন বাড়েনি।
ইন্টারস্টপ অ্যাপারেল লিমিটেড কারখানার লাইনম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সারা দিন পরিশ্রম করে যে বেতন পাই, তা দিয়ে এখন আর সংসার চলে না। বাড়িভাড়া, বাজার খরচ, সন্তানের পড়াশোনা—সবকিছু সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আগে ওভারটাইমের সুযোগ ছিল, এখন সেই সুযোগও কমে গেছে।’ একই কারখানার সুইং অপারেটর পারভীন আক্তার বলেন, ‘৩০ হাজার টাকা বেতন করা আমাদের দাবি। দাবি না মানলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকদের মধ্যে অনেকে বলেছেন, সরকারের নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তের পরেও কারখানায় অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে। শ্রমিকরা দাবি করেছেন, ন্যূনতম বেতন অবিলম্বে ৩০ হাজার টাকা করা উচিত।
"সারা দিন পরিশ্রম করে যে বেতন পাই, তা দিয়ে এখন আর সংসার চলে না। চাল, ডাল, তেলসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে। অথচ আমাদের বেতন সেই আগের জায়গায় পড়ে আছে। বাধ্য হয়েই রাস্তায় নেমেছি।"
বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের একটি গাড়ির সামনের কাচসহ ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা, চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমিনুল ইসলাম (লাইনম্যান), পারভীন আক্তার (সুইং অপারেটর), কবির হোসেন (শ্রমিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন আহত, ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর, ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!