📌 ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় অবৈধ সার মজুতের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই এলাকায় সারের সংকট দাবিতে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। উপজেলা প্রশাসনের দাবি থাকলেও কৃষকের অভিযোগের মুখে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শফিকুল ইসলাম খোকন নামে এক ব্যবসায়ীকে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার মজুতের জন্য চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই এলাকার আরেক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামকে নয় বস্তা এমওপি সার লুকিয়ে রাখার জন্য পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় অবৈধ সার মজুতের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- 📌 শফিকুল ইসলাম খোকনকে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সারের জন্য চার লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 রফিকুল ইসলামকে নয় বস্তা এমওপি সারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা
- 📌 ১ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে উদ্ধার হয় মোট ২৩ বস্তা সার
- 📌 সারের সংকট দাবিতে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন
📰 বিস্তারিত
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় অবস্থিত খোকন ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম খোকনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত চার লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল অবৈধভাবে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার মজুত করে রাখা। একই এলাকার আরেক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নয় বস্তা এমওপি সার লুকিয়ে রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে প্রশাসন মোট ২৩ বস্তা সার উদ্ধার করে। অভিযানের সময় ইটভাটা ও ব্যবসায়ীদের গুদাম থেকে সারগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে একই এলাকায় সারের সংকট দাবিতে পরদিন বুধবার সকালে কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
উপজেলা প্রশাসনের দাবি, ভূরুঙ্গামারীতে সারের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, তাঁরা নির্ধারিত ডিলারের কাছ থেকে সময়মতো সার পাচ্ছেন না। ফলে তাঁদের উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারের সামান্য অনিশ্চয়তাও কৃষকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে, যা ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকের বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
"সারের সংকট বাস্তব হোক বা কৃত্রিম—দুটিই কৃষির জন্য ক্ষতিকর। প্রকৃত সংকট হলে সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করতে হবে। আর কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ সার মজুত বা বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম খোকন, রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ বস্তা সার উদ্ধার, চার লাখ টাকা জরিমানা, নয় বস্তা এমওপি সার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!