📌 ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। স্বামীর কাছে বিষয়টি জানাজানি হলে স্ত্রী ও স্বামী মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেন। রাজধানীর বছিলায় ফাঁকা মেসে ডেকে হত্যা করে লাশ নয় টুকরো করে দুই জেলায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার এক বছর পর পুলিশের তদন্তে উঠে আসে পুরো চক্রান্ত
ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে স্বামীর কাছে বিষয়টি প্রকাশিত হলে স্ত্রী ও স্বামী মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজধানীর বছিলার একটি ফাঁকা মেস বাসায় ডেকে হত্যা করা হয় প্রেমিককে। লাশ নয় টুকরা করে কার্টনে ভরে দুই জেলায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার এক বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সাজ্জাদ হোসেন (২৪) ও সুমাইয়া তৃষ্ণার (২৬) মধ্যে
- 📌 স্বামী রোকনুজ্জামান পলাশ (২৬) বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে হত্যার পরিকল্পনা করেন
- 📌 রাজধানীর বছিলার একটি ফাঁকা মেস বাসায় ডেকে হত্যা করা হয় সাজ্জাদকে
- 📌 লাশ নয় টুকরা করে কার্টনে ভরে দুই জেলায় ফেলে দেওয়া হয়
- 📌 ঘটনার এক বছর পর পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করে; বর্তমানে দুজনই কারাগারে বন্দী
📰 বিস্তারিত
ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে। প্রায় দুই মাস ধরে চলা এই সম্পর্কের কথা জানাজানি হয়ে যায় তাঁর স্বামী রোকনুজ্জামান পলাশের কাছে। বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় স্ত্রী ও স্বামী মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাজধানীর বছিলার একটি ফাঁকা মেস বাসায় ডেকে হত্যা করা হয় সাজ্জাদকে। হত্যাকাণ্ডের পর লাশ নয় টুকরা করে কার্টনে ভরে দুই জেলায় ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার এক বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় মাস আগে সাজ্জাদ ও সুমাইয়ার মধ্যে ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদান হয়। সুমাইয়া দাবি করেন, তাঁর স্বামী রোকনুজ্জামান তাঁকে ব্যক্তিগত ছবি তৈরিতে বাধ্য করতেন। পরবর্তী সময়ে সাজ্জাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
তদন্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দীন জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় মাস আগে সাজ্জাদ ও সুমাইয়ার মধ্যে ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদান হয়। সুমাইয়া দাবি করেন, তাঁর স্বামী তাঁকে ব্যক্তিগত ছবি তৈরিতে বাধ্য করতেন। এরপর সাজ্জাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে স্বামীর সঙ্গে মিলে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
"হত্যাকাণ্ডের প্রায় দেড় মাস আগে তাঁদের মধ্যে নগ্ন ছবি আদান-প্রদান হয়। সুমাইয়ার জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ মেসেঞ্জারে তাঁর স্বামী তাঁর কাছে ব্যক্তিগত ছবি চান। ছবি দিতে গিয়ে তিনি ‘সুপ্ত’ নামের একটি আইডিতে দিয়ে দেন। ওই আইডিটি ব্যবহার করতেন সাজ্জাদ। সেখান থেকেই তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর বছিলা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদ হোসেন (২৪), সুমাইয়া তৃষ্ণা (২৬), রোকনুজ্জামান পলাশ (২৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ (লাশের টুকরা), ২ (বছর আগে সম্পর্ক শুরু), ৪০ (সাক্ষী), ৫০০ (টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!