📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর ও উত্তরায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প জায়গা খুঁজছে। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা ও উত্তরায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প জায়গা খুঁজছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, হকারদের জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই সড়ক দখল করা যাবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিরপুর-১ ও মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য ডিএনসিসি বিকল্প জায়গা খুঁজছে
- 📌 প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হবে
- 📌 মিরপুরের হকারদের জন্য শাহ আলী কাঁচাবাজারের আড়ত কমপ্লেক্সের একটি জায়গা বিবেচনায় রয়েছে
- 📌 উত্তরার হকারদের জন্য দিয়াবাড়ির একটি জায়গাও পরিদর্শন করা হতে পারে
- 📌 হকারদের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য নির্ধারিত ফি নেওয়া হতে পারে
- 📌 মিরপুরের হকারদের তালিকা পুনরায় যাচাই করা হতে পারে, বর্তমানে ৮০০ হকারের তালিকা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১ ও মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প জায়গা খুঁজছে। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হকারদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ থাকবে। তবে কোনো অবস্থাতেই সড়ক দখল করে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, সম্ভাব্য কয়েকটি জায়গা নিয়ে আজ সকালে করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জমি খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে জরুরি ভিত্তিতে জায়গা নির্ধারণ করা হবে।
মিরপুরের হকারদের জন্য শাহ আলী কাঁচাবাজারের আড়ত কমপ্লেক্সের একটি জায়গা বিবেচনায় রয়েছে। গতকাল উচ্ছেদ অভিযানের সময় আড়ত ব্যবসায়ীদের একজন ওই জায়গা ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে আড়ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। জায়গাটি পরিদর্শনের পর আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতে পারে।
উত্তরার হকারদের জন্য মাঝামাঝি কোনো জায়গা খোঁজার চেষ্টা চলছে। এ জন্য দিয়াবাড়ির একটি জায়গাও পরিদর্শন করা হতে পারে। সেখানে হকারদের জায়গা দেওয়ার সুযোগ না থাকলে অন্য বিকল্প খোঁজা হবে।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, হকারদের শুধু সপ্তাহে দুই দিন হলিডে মার্কেটে বসার সুযোগ দিলে তাদের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হতে পারে। এ কারণে নির্ধারিত জায়গায় নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে সময়টি বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘সেটা অবশ্যই কোনো নির্ধারিত খালি জায়গা হবে; রাস্তা নয়। প্রয়োজনে জায়গাটিতে সীমানাপ্রাচীরও করে দেওয়া হবে।’
চাঁদাবাজি ঠেকাতে সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধান পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে হকারদের কাছ থেকে বাইরের কোনো গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করতে না পারে, সে বিষয়েও নজর দিতে চায় ডিএনসিসি। প্রশাসক বলেন, হকারদের সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি নেওয়া হতে পারে। বিনিময়ে তাঁদের ব্যবসার জায়গা থেকে উৎপন্ন বর্জ্য পরিষ্কার করবে সিটি করপোরেশন।
মিরপুরের হকারদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে আগের তালিকাটি আবার যাচাই করার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন প্রশাসক। তিনি বলেন, বর্তমানে তাঁর কাছে প্রায় ৮০০ হকারের একটি তালিকা রয়েছে। সেটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হতে পারে। তবে পুনর্বাসনের জন্য জায়গা নির্ধারণ, সেখানে কতজনকে রাখা সম্ভব এবং কারা অগ্রাধিকার পাবেন—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
"আমরা হকারদের জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করছি। আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন সেখানে পরিদর্শনে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। জায়গাটি উপযুক্ত হলে সেখানে তাঁদের জন্য আপাতত হলিডে মার্কেট করা হবে। সেখানে ৩০০ থেকে ৫০০ জনকে জায়গা দেওয়া সম্ভব কি না, তা দেখা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (মিরপুর-১, মিরপুর-১০, উত্তরা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০-৫০০ জন হকার, ৮০০ হকারের তালিকা, ৫০ টাকা ফি, রাত ১১টা পর্যন্ত ব্যবসা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!