📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামানের নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক পুলিশ করায় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বিক্ষোভ করে। পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামানের নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক পুলিশ করায় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠে সংগঠনের মধ্যে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আক্তারুজ্জামানর নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক পুলিশ করায় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন
- 📌 পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠে; আক্তারুজ্জামানের মুঠোফোনও আটক করা হয়
- 📌 পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, মোটরসাইকেলের নিবন্ধন না থাকায় মামলা করা হয়েছে
- 📌 বিক্ষোভকারী নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছু বিশৃঙ্খলা ও বাজে কথা বলার অভিযোগ পুলিশের
📰 বিস্তারিত
গতকাল বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিউমার্কেট এলাকায় পুলিশ আক্তারুজ্জামানের নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল আটক করে। ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে তাঁর গতি রোধ করেন। এ সময় তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চাইলে আক্তারুজ্জামান উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এক পুলিশ সদস্য তাঁর মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন। আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোনও আটক করা হয়।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ছাত্রদলের প্রায় অর্ধশত নেতা-কর্মী পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর রাত সাড়ে আটটার দিকে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে চলে যান। আক্তারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ছিল। তাদের দেখানোর পরও মোটরসাইকেল আটকানো হয়। আমি তাদের সাংগঠনিক পরিচয় দিইনি। বলেছি, মামলা দিতে। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। মুঠোফোন বের করে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা আমার মুঠোফোন কেড়ে নেয়।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ছিল না। পুলিশের টিএসআই ও সার্জেন্ট নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চেকপোস্টে তাঁর মোটরসাইকেলটি থামিয়েছিলেন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়। এর প্রতিবাদেই ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ একটু বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করেছেন। বাজে কথাও বলেছেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।’
"আমার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ছিল। তাদের দেখানোর পরও মোটরসাইকেল আটকানো হয়। আমি তাদের সাংগঠনিক পরিচয় দিইনি। বলেছি, মামলা দিতে। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নিউমার্কেট এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আক্তারুজ্জামান (জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম ওয়াসিম ফিরোজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৫০ জন নেতা-কর্মী, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা, রাত সাড়ে ৮টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!