📌 চাঁদপুরের সুস্বাদু ইলিশের নাম ভাঙিয়ে অনলাইনে প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে। ১৫ নভেম্বর থেকে আবেদন শুরু, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লাইসেন্স নিতে হবে। এ পর্যন্ত ১১ জন প্রতারক গ্রেপ্তার করা হয়েছে
চাঁদপুর জেলার সুস্বাদু ইলিশের খ্যাতি দেশব্যাপী বিস্তৃত হলেও, অনলাইনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা। এই প্রতারণা বন্ধে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন অনলাইন ইলিশ বিক্রির জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বুধবার জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁদপুর জেলা প্রশাসন অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে
- 📌 ১৫ নভেম্বর থেকে আবেদন শুরু, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লাইসেন্স নিতে হবে
- 📌 এ পর্যন্ত ১১ জন প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৯ জন নড়াইলের
- 📌 জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেছেন, ‘অনলাইনে ইলিশ বিক্রেতাদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে’
- 📌 চাঁদপুরের ইলিশের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা চালাচ্ছিল অসাধু ব্যবসায়ীরা
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলাটি সুস্বাদু ইলিশের জন্য বিখ্যাত। ইলিশের স্বাদ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে, চাঁদপুরের ইলিশের নাম ভাঙিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে প্রতারণা চালাচ্ছিল। এ ধরনের প্রতারণা বন্ধে জেলা প্রশাসন অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে ইলিশ বিক্রির জন্য আগ্রহী ব্যবসায়ীদের ১৫ নভেম্বর থেকে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত ফরমে (পরিশিষ্ট-ক) আবেদন করে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লাইসেন্স নিতে হবে। জেলা মৎস্য বণিক সমিতি ও পুলিশ প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের ইলিশের নাম ভাঙিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালাচ্ছিল। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ১১ জন প্রতারককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছি। তাদের মধ্যে ৯ জন নড়াইলের।’
জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেছেন, ‘এখন থেকে ইলিশ নিয়ে আর প্রতারণা করার সুযোগ থাকবে না। আমরা অনলাইনে ইলিশ বিক্রেতাদের লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা নিয়েছি। এতে ক্রেতারা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
"আমরা এ পর্যন্ত ১১ জন প্রতারককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছি। তাদের মধ্যে ৯ জন নড়াইলের।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁদপুর জেলা, নড়াইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ জিয়াউর রহমান (জেলা প্রশাসক), মো. মিজানুর রহমান (পুলিশ সুপার), ক্রেতারা, ব্যবসায়ীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ নভেম্বর (আবেদন শুরু), ৩০ নভেম্বর (লাইসেন্স শেষ তারিখ), ১১ জন (গ্রেপ্তারকৃত প্রতারক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!