📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে অতিরিক্ত গতিরোধক: ‘প্রেস্টিজের যুদ্ধে’ ভোগান্তিতে যাত্রী ও চালকরা

ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে অতিরিক্ত গতিরোধক: ‘প্রেস্টিজের যুদ্ধে’ ভোগান্তিতে যাত্রী ও চালকরা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে ৩৪টি গতিরোধক থাকায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘প্রেস্টিজের প্রতীক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কটির সংস্কারকাজে যুক্ত প্রকৌশলীসহ স্থানীয়রা স্বীকার করেছেন, গ্রামবাসীর চাপে অতিরিক্ত গতিরোধক স্থাপন করা হয়েছে

ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে ৩৪টি গতিরোধক থাকায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। স্থানীয়দের কাছে এসব গতিরোধক এখন ‘প্রেস্টিজের প্রতীক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরো ১৪ দশমিক ২৭ কিলোমিটারের এই সড়কে মোট গতিরোধকের সংখ্যা ৭৭টি। ভৈরব সড়ক উপবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভৈরব-মেন্দিপুর সড়ক নির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে আসে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়। ভৈরব স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে সড়কটি শেষ হয়েছে মেন্দিপুর ঈদগাহ মাঠে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে প্রতি কিলোমিটারে গড়ে ৩৪টি গতিরোধক থাকায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে
  • 📌 পুরো ১৪ দশমিক ২৭ কিলোমিটারের সড়কে মোট গতিরোধকের সংখ্যা ৭৭টি
  • 📌 রসুলপুর গ্রামে সবচেয়ে বেশি গতিরোধক রয়েছে — প্রতি দেড় কিলোমিটারে ১৫টি ও তিন কিলোমিটারে ১২টি
  • 📌 স্থানীয়দের কাছে গতিরোধকগুলো এখন ‘প্রেস্টিজের প্রতীক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে
  • 📌 অতিরিক্ত গতিরোধকের কারণে অটোরিকশা চালকদের প্রতিদিন প্রায় ২০০ টাকা আয় কমছে

📰 বিস্তারিত

ভৈরব-মেন্দিপুর সড়কে রসুলপুর গ্রাম দিয়ে যাওয়ার সময় দেখা যায়, একটি গতিরোধক পার হতে না হতেই আরেকটির দেখা মেলে। এসব গতিরোধক এখন গ্রামবাসীর কাছে ‘প্রেস্টিজের প্রতীক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভৈরব সড়ক উপবিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘একটি গতিরোধকও আমাদের ইচ্ছায় হয়নি। গ্রামবাসী জোর করে করিয়ে নিয়েছেন। অবস্থা এমন হয়েছে যে বাড়ির সামনে একটি গতিরোধক না থাকলে যেন প্রেস্টিজ থাকে না।’

রসুলপুর গ্রামের দুই প্রান্তের দুটি গ্রাম ভবানীপুর ও সাদেকপুরে গতিরোধকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। দেড় কিলোমিটার দূরত্বের ভবানীপুরে অংশে রয়েছে ১৫টি এবং তিন কিলোমিটার দূরত্বের সাদেকপুরে রয়েছে ১২টি গতিরোধক। এ ছাড়া সড়কটির মেন্দিপুরে দুটি, তেয়ারিচরে একটি, শিমুলকান্দিতে চারটি, মধ্যেরচরে দুটি, দড়িচণ্ডীবেরে দুটি এবং স্টেডিয়াম এলাকায় পাঁচটি গতিরোধক রয়েছে।

স্থানীয় অটোরিকশাচালক সমিতি সূত্র জানায়, ওই সড়ক দিয়ে ৯৫টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। ব্যাটারিচালিত রিকশা চলে শতাধিক। উপজেলা সদর থেকে প্রতিটি রিকশা গড়ে ছয়বার আসা–যাওয়া করে। চালকেরা জানান, অতিরিক্ত গতিরোধকের কারণে গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। মেরামত খরচ বেড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক জসিম মিয়া বলেন, ‘এগুলো আইল্যান্ড না, জুলুম। প্রত্যেকে বাড়ির সামনে একটা করে জুলুম বসাইছে।’

অতিরিক্ত গতিরোধকের কারণে চালকদের পাশাপাশি যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সবচেয়ে কষ্ট পায় বৃদ্ধ ও গর্ভবতীরা। সাদেকপুর গ্রামের হাতেখড়ি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক শবনম আক্তার বলেন, ‘চীনের দুঃখ যেমন হোয়াংহো নদী, আমাদের দুর্ভোগের প্রধান কারণ ঘন ঘন গতিরোধক।’

"একজনের বাড়ির সামনে গতিরোধক দেখে আরেকজন বলেন, অন্যের আছে, আমার কেন থাকবে না? এভাবে একের পর এক বাড়ির সামনে গতিরোধক দেওয়ার দাবি উঠতে থাকে। একপর্যায়ে রসুলপুর গ্রামে একেকটি গতিরোধক সামাজিক প্রতিযোগিতার প্রতীকে পরিণত হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভৈরব-মেন্দিপুর সড়ক, ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরিদুল ইসলাম (উপসহকারী প্রকৌশলী, ভৈরব সড়ক উপবিভাগ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৭টি (মোট গতিরোধক), ৩৪টি (প্রতি কিলোমিটারে গড় সংখ্যা), ৯৫টি (সিএনজিচালিত অটোরিকশা), ২০০ টাকা (প্রতিদিন আয় কমার পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖