📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে টিকটক মন্তব্য নিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়। সালিশ বৈঠকেও বিরোধ মিটেনি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর সংঘর্ষ পুনরাবৃত্তি হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে টিকটক মন্তব্য নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সোহাগপুর গ্রামের আবির হাটি ও নাকড় বাড়ির লোকদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) টিকটক ভিডিওতে মন্তব্য নিয়ে দুই তরুণের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, যা দ্রুত দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনায় পরিণত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক মন্তব্য নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত
- 📌 সালিশ বৈঠকে বিরোধ মিটলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর সংঘর্ষ পুনরাবৃত্তি
- 📌 দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয় পক্ষের আহত
- 📌 আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার দুপুরে সোহাগপুর গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার টিকটক ভিডিওতে মন্তব্য নিয়ে দুই তরুণের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহাগপুর গ্রামের আবির হাটি ও নাকড় বাড়ির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধ মিটাতে শনিবার দুপুরে আশুগঞ্জ বাজারে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা হলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়, যার ফলে ১০ জন আহত হন।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বিষয়টি মীমাংসা হয়েছিল। তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
"দুই পক্ষের বিরোধ মেটাতে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে বিষয়টি মীমাংসাও হয়। তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ, সোহাগপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মো. আনিসুর রহমান, পুলিশ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত, ৩১ অক্টোবর (শনিবার), ৩০ অক্টোবর (শুক্রবার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!