📌 বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বাগেরহাট জেলার জেলে ও ব্যবসায়ীরা আজ সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মানববন্ধন করে। তারা দাবি করেছেন, অবৈধ ট্রলিংয়ের কারণে ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস হচ্ছে এবং সাধারণ জেলেদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে
বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বাগেরহাট জেলার জেলে ও ব্যবসায়ীরা আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে জেলা ট্রলার মালিক ও জেলে পরিবারের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ অক্টোবর বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলে ও ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবি জানান
- 📌 অবৈধ ট্রলিং জলযানে ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করা হলে ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস হচ্ছে এবং সাগরে মাছের সংখ্যা ক্রমশ কমছে
- 📌 জেলেরা দাবি করেছেন, অবৈধ ট্রলিং বন্ধ না হলে ৫ বছরের মধ্যে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে যেতে পারে
- 📌 বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আমানী বলেছেন, সাধারণ জেলেরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন এবং রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
- 📌 জেলেরা ট্রলিংয়ের মাধ্যমে আহরণ করা মাছের ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে নিষেধাজ্ঞা ও অভিযান চালানোর দাবি জানান
📰 বিস্তারিত
বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে বাগেরহাট জেলার জেলে ও ব্যবসায়ীরা আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে। এই কর্মসূচিতে বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আমানী, জেলে আক্কাস আলী, সাইদুল মোল্লা, নজরুল ইসলাম ও আশারেফ মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, বঙ্গোপসাগরে অবৈধ কাঠের বডির ট্রলিং জলযান দিয়ে মাছ ধরা হয়। এসব জলযানে ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করা হলে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে। বিক্রির উপযোগী মাছ রেখে বাকিগুলো মেরে ফেলা হয়। এতে ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস হচ্ছে এবং সাগরে মাছের সংখ্যা ক্রমেই কমছে। জেলেরা দাবি করেছেন, এভাবে মাছ আহরণ চলতে থাকলে ৫ বছরের মধ্যে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়তে পারে। ইতিমধ্যে সাগরে ইলিশের সংখ্যাও কমেছে।
বগা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আমানী বলেন, ‘একসময় বঙ্গোপসাগরে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু দিন দিন মাছের সংখ্যা কমছে। এর অন্যতম কারণ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস করা। এতে সাধারণ জেলেরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন, পাশাপাশি রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’
ইব্রাহিম আমানী জানান, তাঁদের একটাই দাবি—অবৈধ ট্রলিং বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ট্রলিংয়ের মাধ্যমে আহরণ করা মাছের ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। এ ছাড়া যেসব বাজারে ট্রলিংয়ের মাধ্যমে আহরণ করা মাছ বিক্রি হয়, সেসব বাজারেও অভিযান চালানোর দাবি জানান জেলেরা।
"একসময় বঙ্গোপসাগরে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু দিন দিন মাছের সংখ্যা কমছে। এর অন্যতম কারণ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস করা। এতে সাধারণ জেলেরা আর্থিক সংকটে পড়ছেন, পাশাপাশি রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইব্রাহিম আমানী, আক্কাস আলী, সাইদুল মোল্লা, নজরুল ইসলাম, আশারেফ মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২৪ প্রজাতির মাছের পোনা ধ্বংস, ২৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!