📌 রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মো. শিমুল (২৮) নিহত হন। র্যাব গ্রেপ্তার করেছে অভিযুক্ত ইসলাম আলীকে এবং তাকে বাঘা থানায় হস্তান্তর করেছে। শিমুলের বাবা ২০-২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মো. শিমুল (২৮) নিহত হন। ঘটনাস্থলে উদ্ধার করা শিমুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু তিনি মৃত ঘোষণা হন। ঘটনায় অভিযুক্ত ইসলাম আলী (৩০)কে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে এবং তাকে বাঘা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টার দিকে বাঘার জোতকাদীপুর এলাকায় শিমুল ও মো. শমজানকে চোর সন্দেহে আটক করে গণপিটুনি চালানো হয়
- 📌 গণপিটুনিতে শিমুল মৃত্যুবরণ করেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন
- 📌 অভিযুক্ত ইসলাম আলী (৩০) গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে বাঘা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
- 📌 শিমুলের বাবা বাদী হয়ে ২০-২৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন
📰 বিস্তারিত
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টায় র্যাব-৫-এর একটি দল বাঘা উপজেলার জোতকাদীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইসলাম আলীকে গ্রেপ্তার করে। র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, শিমুল হত্যা মামলার প্রাথমিক তদন্তে ইসলাম আলী সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ইসলাম আলী জোতকাদীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টার দিকে বাঘার জোতকাদীপুর এলাকায় শিমুল ও মো. শমজানকে চোর সন্দেহে আটক করে একদল লোক। পরে গণপিটুনি চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা উভয়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক শিমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। শিমুলের বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বাঘা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে দায়ের করেন।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে ইসলাম আলী আত্মগোপনে ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকে বাঘা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
"মামলার প্রাথমিক তদন্তে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে এবং তিনি এ ঘটনার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাঘা উপজেলা, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শিমুল (২৮), ইসলাম আলী (৩০), মো. শমজান, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন আসামি, ৭ সেপ্টেম্বর, ভোর ৪টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!