📌 বাগেরহাটের পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর নির্মাণকাজ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা বিল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, যেটুকু কাজ হয়েছে তার বিল দেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট কাজ সম্পন্নের জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা বিল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা বিল নিয়ে গেছে
- 📌 এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, যেটুকু কাজ হয়েছে তার বিল দেওয়া হয়েছে
- 📌 গত ১২ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো কোনো কাজ দৃশ্যমান নয়
- 📌 গত ৩ নভেম্বর এলজিইডি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ লাখ টাকা বিল প্রদান করে
📰 বিস্তারিত
বাগেরহাট সদর উপজেলার পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা বিল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাওলাদার রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১২ এপ্রিল পূর্ব সায়েড়া লক্ষ্মীখালী সেতুর নির্মাণকাজের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। তবে এখনো সেতুর নির্মাণকাজ দৃশ্যমান নয়। কাজ না করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৫০ লাখ টাকা বিল নিয়ে গেছে। তিনি এলজিইডির প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
জেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের শেষ দিকে পূর্ব সায়েড়া-লক্ষ্মীখালী খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য নিসিথ বসু নামের একটি ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয় এলজিইডি। ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা ব্যয়ে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। যদিও ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ লাখ টাকা বিল দিয়েছে এলজিইডি।
জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মঞ্জুর রশিদ বলেন, যেটুকু কাজ করেছে সেটুকুর বিল দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ সম্পন্নের জন্য ঠিকাদারকে বলা হলেও তিনি করেননি। গত ২২ জুলাই ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলের জন্য প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
"কোনো কাজ না করেই ৫০ লাখ টাকা নিয়ে গেলেন ঠিকাদার। এতে আমাদের ভোগান্তিতে থাকতে হচ্ছে। অন্যদিকে প্রকৌশলীরা কার্যালয়ে বসে এসির বাতাস খাচ্ছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পূর্ব সায়েড়া, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ মঞ্জুর রশিদ (নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা এলজিইডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা, ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪ হাজার ২১ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!