📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭০ বছরের সংসারে দুঃখের কোলে বাঁচছে শয্যাশায়ী নূরজাহান ও সাজু: সহায়তার হাত বাড়ছে

৭০ বছরের সংসারে দুঃখের কোলে বাঁচছে শয্যাশায়ী নূরজাহান ও সাজু: সহায়তার হাত বাড়ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের খুনুয়া গ্রামে ৮৮ বছর বয়সী সাজু শেখ ও ৮২ বছর বয়সী স্ত্রী নূরজাহান বেগমের ৭০ বছরের সংসারে অভাব ও অসহায়তা তাদের জীবনের অন্যতম কষ্ট। শয্যাশায়ী নূরজাহানকে কোলে নিয়ে কাঁদতে দেখে স্থানীয়রা ও প্রশাসন তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়েছে

শেরপুর সদর উপজেলার খুনুয়া চরপাড়া গ্রামে ৭০ বছরের সংসারে অভাব ও অসহায়তার কবলে আছেন ৮৮ বছর বয়সী সাজু শেখ ও তার ৮২ বছর বয়সী স্ত্রী নূরজাহান বেগম। বয়সের ভারে দুজনেই ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন, যেখানে নূরজাহান প্রায় ছয় বছর ধরে শয্যাশায়ী। দরজার সামনে স্ত্রীকে পাঁজাকোলা করে দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে স্থানীয়রা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮৮ বছর বয়সী সাজু শেখ ও ৮২ বছর বয়সী স্ত্রী নূরজাহান বেগমের ৭০ বছরের সংসারে অভাব ও অসহায়তার কবলে আছেন, যেখানে নূরজাহান প্রায় ছয় বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় রয়েছে।
  • 📌 সাজু প্রতিদিন স্ত্রীকে কোলে নিয়ে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসেন এবং তার পাশে বসে থাকেন, কানে কম শোনার কারণে স্ত্রীর ইশারা বোঝার চেষ্টা করেন।
  • 📌 দম্পতির তিন ছেলে ও তিন মেয়ে, কিন্তু তাদের মধ্যে একজন করোনা মহামারিতে নিখোঁজ হয়ে গেছেন, আরেকজন ঢাকায় রিকশা চালান এবং শেরপুরে থাকা ছোট ছেলে নূর ইসলাম দিনমজুরি করেন।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা এক ব্যক্তি মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ও ইউএনও আসমা বিনতে রফিক সহায়তা প্রদান করেন।
  • 📌 জেলা প্রশাসন ও সংগঠন ‘রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ দম্পতির খাদ্যসামগ্রী, পোশাক, কম্বল ও অর্থসহায়তা প্রদান করেছে। প্রতি মাসে খাবারের জন্য সহযোগিতা দেওয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

৯ সেপ্টেম্বর শেরপুর সদর উপজেলার খুনুয়া চরপাড়া গ্রামে সাজু শেখ ও নূরজাহান বেগমের সংসারের দুঃখের চিত্র ধারণ করা হয়। স্থানীয় এক ব্যক্তি মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আসে। সাজু বয়সের ভারে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেন না, কিন্তু স্ত্রীকে পাঁজাকোলা করে দাঁড়িয়ে কাঁদছেন। কাঁপা কণ্ঠে আল্লাহর কাছে খাবার চাইছেন।

দম্পতির সংসারে অভাব ও অসহায়তার কবলে আছেন। সাজু একসময় ব্যবসা করতেন, কিন্তু বয়সের ভারে কাজ করতে পারছেন না। নূরজাহান প্রায় ছয় বছর আগে পা পিছলে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙে গেছে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেননি সাজু। স্ত্রীকে একা রেখে কোথাও যেতে চান না। প্রতিদিন সকালে স্ত্রীকে কোলে করে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসেন এবং কিছুক্ষণ তাঁর পাশে বসে থাকেন।

সাজু ও নূরজাহানের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই এবং তারা মাঝেমধ্যে মা-বাবার খোঁজ নেন। তিন ছেলের একজন করোনা মহামারির সময় নিখোঁজ হয়ে গেছেন। আরেকজন ঢাকায় রিকশা চালান এবং বছরে এক-দুবার বাড়িতে আসেন। শেরপুরে থাকা ছোট ছেলে নূর ইসলাম দিনমজুরি করেন এবং ঠেলাগাড়িও চালান। কয়েক বছর আগে তাঁর স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে মারা গেছেন। নিজের সংসার চালাতেই তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। বৃদ্ধ মা-বাবার দেখভাল করতে পারেন না।

"আমাদের বিষয়টি জানার পর সংগঠনটি ওই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। দেড় মাসের খাবারের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।"

— আল আমিন, ‘রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠাতা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুর সদর উপজেলা, খুনুয়া চরপাড়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজু শেখ (৮৮), নূরজাহান বেগম (৮২), জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ইউএনও আসমা বিনতে রফিক, আল আমিন (রক্তসৈনিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (সংসার), ৮৮ বছর (সাজু), ৮২ বছর (নূরজাহান), ৯ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖