📌 বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদবের জীবনে একের পর এক বিপর্যয় নেমে আসছে। স্ত্রীর মৃত্যু, দীর্ঘ কারাবাস, আর্থিক জটিলতা এবং এবার ব্যাংকের নিলামে উঠতে যাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি তাঁর জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদবের জীবনে একের পর এক বিপর্যয় নেমে আসছে। স্ত্রীর মৃত্যু, দীর্ঘ কারাবাস, আর্থিক জটিলতা এবং এবার ব্যাংকের নিলামে উঠতে যাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি তাঁর জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
🔴 রাজপাল যাদবের জীবনের প্রধান বিপর্যয়
- 📌 রাজপাল যাদবের স্ত্রী তাঁর ২০ বছর বয়সে সন্তান প্রসবকালীন মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 অভিনেতা রাজপাল যাদব তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আতা পাতা লাপাতা’র জন্য ৫ কোটি রুপি ঋণ নেন, যা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যাংক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে।
- 📌 রাজপাল যাদবের বিরুদ্ধে ব্যাংকের বকেয়া দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপি।
- 📌 ব্যাংক রাজপাল যাদবের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরের কুন্দ্রা গ্রামের পৈতৃক সম্পত্তি নিলামে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনলাইন নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 রাজপাল যাদব ২০১৮ সালে ঋণসংক্রান্ত মামলায় তিন মাস কারাগারে ছিলেন।
📰 বলিউডে রাজপাল যাদবের উত্থান ও পতন
উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরের কুন্দ্রা গ্রামে ১৯৭১ সালের ১৬ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন রাজপাল যাদব। অভিনয়ের প্রতি তাঁর আগ্রহ তাঁকে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি টেলিভিশনে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বলিউডে প্রবেশ করেন এবং ধীরে ধীরে কমেডি অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘চুপ চুপ কে’, ‘মালামাল উইকলি’, ‘ফির হেরা ফেরি’, ‘ঢোল’ ও ‘ভুল ভুলাইয়া’।
রাজপাল যাদব তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের হাসিয়েছেন। কিন্তু ব্যক্তিজীবনে তিনি বারবার বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী সন্তান প্রসবকালীন মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রাধা যাদবের সাথে। রাধা যাদব তাঁর জীবনের অন্যতম সমর্থক হিসেবে কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন রাজপাল।
২০১০ সালে রাজপাল যাদব তাঁর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য দিল্লিভিত্তিক মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫ কোটি রুপি ঋণ নেন। চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় তিনি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন। এর ফলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে চেক বাউন্স মামলা দায়ের হয় এবং তাঁকে আদালতের মুখোমুখি হতে হয়।
"আমার প্রথম স্ত্রী বাচ্চা প্রসব করতে গিয়ে মারা যান। আমার পরের দিন ওকে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। আর সেদিন আমি ওর লাশ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে যাই।"
"আমার গুরুর পর আমার মা–বাবা, আর তারপর ও আমাকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেছে। ১০০ শতাংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরের কুন্দ্রা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজপাল যাদব, রাধা যাদব, গোদাবরী দেবী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর, ১৬ মার্চ ১৯৭১, ৫ কোটি রুপি, ১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপি, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!