📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মা ব্যাংক অবসায়নের সিদ্ধান্ত: ৯০% খেলাপি ঋণে ব্যর্থতা ও তারল্য সংকটের কারণে বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু

পদ্মা ব্যাংক অবসায়নের সিদ্ধান্ত: ৯০% খেলাপি ঋণে ব্যর্থতা ও তারল্য সংকটের কারণে বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদ্মা ব্যাংক পিএলসি তারল্য সংকট ও বিপুল খেলাপি ঋণের কারণে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদে অনুমোদনের পর ব্যাংক বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ব্যাংকটির মোট সম্পদ ৭ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৯০% খেলাপি হয়েছে

পদ্মা ব্যাংক পিএলসি দীর্ঘদিনের তারল্য সংকট ও বিপুল খেলাপি ঋণের কারণে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদে অনুমোদনের পর ব্যাংকটি বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে, কিন্তু সমাধানের কোনো পথ বের করা সম্ভব হয়নি। ফলে অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পদ্মা ব্যাংক অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের পর।
  • 📌 ব্যাংকটির মোট সম্পদ ৭ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা (৯০%) খেলাপি হয়েছে।
  • 📌 ২০১৩ সালে ফারমার্স ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পদ্মা ব্যাংক ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি লোকসান করেছে।
  • 📌 ব্যাংকটির ৪৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে।
  • 📌 পদ্মা ব্যাংক বর্তমানে ৬০টি শাখা, ১৪টি উপ-শাখা এবং ছয়টি এজেন্ট আউটলেট পরিচালনা করছে।

📰 বিস্তারিত

ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে পদ্মা ব্যাংকের সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সমাধান বের করা সম্ভব হয়নি। ফলে অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর সারাবাংলাকে বলেছেন, ‘পদ্মা ব্যাংক একটি বিষফোঁড়া। এর দায় আর কত টানা যায়। সবকিছু বিবেচনায় বর্তমান অবস্থায় ব্যাংকটি রাখা হবে না। ব্যাংকটি বন্ধ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’

ব্যাংকটির মোট সম্পদ ৭ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু গত জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে, যা মোট ঋণের ৯০ শতাংশ। গত বছরের জুনে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ১৩১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ব্যাংকটি ঋণ পুনঃতফসিল এবং এক্সিট কর্মসূচির আওতায় কিছু টাকা আদায় করছে, যার ফলে খেলাপির পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

পদ্মা ব্যাংক বর্তমানে ৬০টি শাখা, ১৪টি উপ-শাখা এবং ছয়টি এজেন্ট আউটলেট পরিচালনা করছে। ব্যাংকটির জনবল প্রায় ১ হাজার ৬০০ জন। ব্যাংকটির স্থিতি ছিল প্রায় ৬ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৪৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে। এগুলোর মধ্যে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস গ্যাস, বিটিআরসি, মোংলা বন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর অন্যতম।

"পদ্মা ব্যাংক একটি বিষফোঁড়া। এর দায় আর কত টানা যায়। সবকিছু বিবেচনায় বর্তমান অবস্থায় ব্যাংকটি রাখা হবে না। ব্যাংকটি বন্ধ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নর, পদ্মা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ হাজার কোটি টাকা (মোট সম্পদ), ৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা (খেলাপি ঋণ), ৯০ শতাংশ (খেলাপি ঋণের শতাংশ), ৬০টি শাখা, ১৪টি উপ-শাখা, ৬টি এজেন্ট আউটলেট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖