📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন

A.Z.M. Zahid Hossain
🏛️ সমাজকল্যাণমন্ত্রী (দিনাজপুর-৬ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
💼 চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ 📅 ২৫ নভেম্বর ১৯৬০, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 📍 হোল্ডিং: মতিহারা পশ্চিম পাড়া, গ্রাম/রাস্তা: মতিহারা পশ্চিম পাড়া, ডাকঘর: মতিহারা-৫২৭০, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর। 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন — সমাজকল্যাণমন্ত্রী (দিনাজপুর-৬ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)

📋 জীবনী

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন (জন্ম: ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬০) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং চিকিৎসক। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। ইতঃপূর্বে তিনি দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকও। এর আগে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা

জাহিদ হোসেন (আবু জাফর মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন) ১৯৬০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামে।

শিক্ষাজীবন

তিনি গফরগাঁও এবং ময়মনসিংহ থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করেন। এরপর তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্ হতে এফসিপিএস ডিগ্রি, ২০০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইউরোলজিতে এমএস ডিগ্রি, ২০০৪ সালে কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জনস্, পাকিস্তান হতে এফসিপিএস এবং ২০০৬ সালে রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস্, এডিনবার্গ, যুক্তরাজ্য হতে এফআরসিপি ফেলোশিপ অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন

তিনি ১৯৭৯ সালে ছাত্র রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ময়ূখ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে তার জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পর সরকারি চাকুরিতে যোগদানের কারণে সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত না থেকে তিনি পেশাগত রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ১৯৮৯ সাল হতে ডক্টর এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সাথে জড়িত এবং ১৯৯৮ সাল হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৪ বার মহাসচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি ২০০৫ সাল হতে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-বিএসপিপি’র সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২২ সাল হতে উক্ত পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১০ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র চেয়ারপারসন-এর উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়। রাজনৈতিক কারণে বিগত ১৮ বছরে অর্ধশত মামলা দায়ের করা হয় তার নামে এবং তিনি ৩ বার রাজনৈতিক কারণে কারাবরণ করেন। ১ম বার ৯ মে ২০০৯ হতে ৯ ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত, ২য় বার ২০১১ সালে এবং ৩য় বার ১১ মার্চ ২০১৩ হতে ৭ জুন ২০১৩ পর্যন্ত কারাবরণ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ২ লাখ ৫ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের আনোয়ারুল ইসলাম পান ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। দিনাজপুর-৬ আসনের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে তিনি দুইটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖