📌 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পরও ৪ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি খেলার মাঠ রয়েছে। খেলার মাঠের অপ্রতুলতা থেকে ক্রীড়া কার্যক্রমে ব্যাপক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারের জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে, কিন্তু সময়সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠালগ্নের ১৯ বছর পরও ৪ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র একটি খেলার মাঠের সীমাবদ্ধতা ক্রীড়া কার্যক্রমে ব্যাপক সংকট সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মাত্র কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের অপ্রতুলতা নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিযোগিতার আয়োজনকে চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য যবিপ্রবিতে মাত্র একটি খেলার মাঠ রয়েছে
- 📌 ২৮টি বিভাগের আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য মাঠের সংকট
- 📌 শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নিয়মিত অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যায় না
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৫০০ কোটি টাকার ডিপিপি জমা দিয়েছে, কিন্তু সরকারের জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে
- 📌 উপাচার্য ড. ইয়ারুল কবির বলেছেন, সময়সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়
📰 বিস্তারিত
যবিপ্রবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ হাসান বলেছেন, বর্তমানে চলমান আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ২৮টি বিভাগ অংশগ্রহণ করছে। একটি মাত্র মাঠে একসাথে ম্যাচ ও অনুশীলনের জন্য সময় ভাগ করে নিতে হচ্ছে, যা নিয়মিত ক্রীড়া অনুশীলনের জন্য বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেছেন, “একটি মাঠ থাকলে একসাথে বিভিন্ন খেলার অনুশীলন করা সম্ভব হতো এবং শিক্ষার্থীরাও খেলাধুলায় আরও বেশি সুযোগ পেত।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির জানান, মাঠ তৈরির জন্য সরকারের জায়গা অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, “আমরা ৫০০ কোটি টাকার একটি ডিপিপি দিয়েছি। সেটি যাচাই-বাছাই হবে এবং ইউজিসির কমিটি পর্যালোচনা করবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রক্রিয়া এগোবে। জায়গা অধিগ্রহণের বিষয়টি এখনো সম্পন্ন হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় এত কম জায়গার মধ্যে চলতে পারে না। সরকারও আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করছে, কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে যথেষ্ট সময় লাগবে।”
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে আয়োজিত আন্তঃবিভাগ ও অন্তঃহল টুর্নামেন্টগুলোর সময় মাঠের সর্বোচ্চ ব্যবহার হলেও নিয়মিত অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যায় না। তারা দাবি করেছেন, “মাঠের অপ্রতুলতা আমাদের ক্রীড়া থেকে বিমুখ করে দিচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমের স্বার্থে অতি দ্রুত আরও খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”
"এখন আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট চলছে। ২৮টি বিভাগ টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। ফলে মাঠে শুধু ম্যাচ নয়, প্রতিটি দলের অনুশীলনেরও প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু একটি মাঠ হওয়ায় সবাইকে সময় ভাগ করে নিতে হচ্ছে। এতে নিয়মিত অনুশীলন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. ইয়ারুল কবির, শিক্ষার্থী আসিফ হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার শিক্ষার্থী, ১৯ বছর, ২৮টি বিভাগ, ৫০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!