📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজটে স্নাতক শেষে লাগছে ছয় বছর: শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজটে স্নাতক শেষে লাগছে ছয় বছর: শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি পেতে শিক্ষার্থীদের লাগছে পাঁচ থেকে ছয় বছর। সেশনজট, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট, একাডেমিক কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা এবং কারিকুলামের বিলম্বের কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা শেষ করতে বাধ্য হচ্ছেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি পেতে শিক্ষার্থীদের লাগছে পাঁচ থেকে ছয় বছর। নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করে পরীক্ষা, ফল প্রকাশের বিলম্ব এবং একাডেমিক কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতার কারণে শিক্ষার্থীরা সেশনজটে আটকে পড়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি অনুষদের অধীনে ৫৯টি বিভাগে একাধিক ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একসাথে পাঠ নিচ্ছেন, যার ফলে স্নাতকোত্তর পর্যায়েও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি পেতে শিক্ষার্থীদের লাগছে **পাঁচ থেকে ছয় বছর**।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ে **১২টি অনুষদ** এবং **৫৯টি বিভাগ** রয়েছে, যেখানে **সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থী একসাথে পাঠ নিচ্ছেন।
  • 📌 **২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের** শিক্ষার্থীরাও এখনো স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত, যখন তাদের **২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের** শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর শেষ হওয়ার কথা ছিল।
  • 📌 **৩০ হাজার** শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র **১ হাজার ২০০ জন** শিক্ষক থাকায় প্রতি **২৫ জন শিক্ষার্থীর** বিপরীতে একজন শিক্ষক রয়েছে।
  • 📌 **সেমিস্টার পদ্ধতির** কার্যকর প্রয়োগ না হওয়ায় পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সময়সূচী মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না।
  • 📌 শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে **মার্কেটিং বিভাগে** ছয়টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাত্র **চারটি শ্রেণিকক্ষ** রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি, সমাজকর্ম, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান ও ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে **সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা একসাথে পাঠ নিচ্ছেন। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, পপুলেশন সায়েন্সেস ও শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থী। কলা অনুষদের ইংরেজি, ইতিহাস, সংস্কৃত ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নরত। উর্দু বিভাগে **ছয় থেকে সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থী রয়েছে, যেখানে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগে **সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা পাঠ নিচ্ছেন।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে **সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছেন, যেখানে মার্কেটিং ও ফাইন্যান্স বিভাগে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থী রয়েছে। বিজ্ঞান অনুষদের পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত বিভাগে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা একসাথে পাঠ নিচ্ছেন। আইন অনুষদের আইন ও আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নরত। জীববিজ্ঞান অনুষদের ফার্মেসি বিভাগে **ছয়টি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছেন, যেখানে জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ও মনোবিজ্ঞান বিভাগে **সাতটি ব্যাচের** শিক্ষার্থীরা রয়েছে।

চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী আসাদ সাদিক রাফি বলেছেন, ‘চার বছরের অনার্স ডিগ্রি পেতে আমার **ছয় বছর** লেগেছে। এখনো দুই বছরের মাস্টার্সের প্রথম সেমিস্টার শেষ হয়নি।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, সময়মতো কারিকুলাম প্রণয়ন না করা, কার্যকর একাডেমিক ক্যালেন্ডার না থাকা, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়হীনতা সেশনজটের মূল কারণ। শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. আক্তার বানু বলেছেন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করতে শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, বর্তমান প্রশাসন সেশনজট নিরসনে কাজ করছে। তবে শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট, কারিকুলামের বিলম্ব এবং সেমিস্টার পদ্ধতির কার্যকর প্রয়োগ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বাধা পড়ছে।

"চার বছর মেয়াদি অনার্স শেষ করতে আমার ছয় বছর লেগেছে। এখন দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্সে প্রায় বছর পার হলেও এখনো প্রথম সেমিস্টার শেষ হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থী আসাদ সাদিক রাফি, ড. আক্তার বানু, অধ্যাপক মামুনুর রশীদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর (স্নাতক শেষে সময়), ১২টি অনুষদ, ৫৯টি বিভাগ, ৩০ হাজার শিক্ষার্থী, ১ হাজার ২০০ জন শিক্ষক, ২৫ জন শিক্ষার্থী প্রতি শিক্ষক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖