📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে। ঘটনায় ১২ জন আহত হওয়ায় তারা তদন্ত ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি তুলেছে। প্রক্টর ড. মো: শাহাদাৎ হোসেন আইটি টিম ও তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে ৮ দফা দাবি জানিয়েছেন। ঘটনায় ১২ জন শিক্ষার্থী আহত হওয়ায় তারা জড়িতদের শনাক্ত ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি তুলেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহাদাৎ হোসেনের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ দফা দাবি: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে জড়িতদের শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
- 📌 হামলার ঘটনা: ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে রাফসান সামি নামের শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। পরে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলেও সংঘর্ষ হয়।
- 📌 ১২ জন আহত: ঘটনায় ১২ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে একজন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফসান সামি।
- 📌 তদন্তের দাবি: সিসিটিভি ফুটেজ, হাসপাতালের রেকর্ড, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ সংগ্রহ করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
- 📌 প্রক্টরের প্রতিক্রিয়া: প্রক্টর ড. মো: শাহাদাৎ হোসেন ঘোষণা দিয়েছেন, একটি আইটি টিম গঠন করা হয়েছে ঘটনার ফুটেজ বিশ্লেষণের জন্য।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাথে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে ৮ দফা দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহাদাৎ হোসেনের কাছে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে রাফসান সামি নামের শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের অন্যতম দাবি হলো, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের বের হয়ে আসা এবং ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের হামলার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি। তারা আরও দাবি করেছেন, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের হামলায় জড়িত শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া এবং আবাসিক হলগুলোতে অনাবাসিক শিক্ষার্থী বা বহিরাগতদের প্রবেশের সুযোগ বন্ধ রাখা।
হাসপাতালে আহত শিক্ষার্থীদের ওপর পুনরায় হামলার চেষ্টা এবং সেখানে স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতির বিষয়টি তদন্ত করার দাবিও জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। তারা ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করে বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।
"গতকাল আমাদের ওপর হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার দাবিতে আজ প্রক্টর অফিসে অভিযোগপত্র দিয়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
— কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফসান সামি
"গতকাল ক্যাম্পাসের গেটে এবং পরে আমাদের হলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রক্টর অফিসে অভিযোগপত্র দিয়েছি।"
— শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম আবির
অভিযোগপত্রের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহাদাৎ হোসেন বলেছেন, ‘গতকাল ক্যাম্পাসে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি আইটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা ঘটনার সময়ের ফুটেজগুলো বিশ্লেষণ করবে। পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আজ আবাসিক শিক্ষার্থীরা একটি অভিযোগপত্র দিয়েছে। আরও কেউ অভিযোগ দিলে সেগুলোও বিবেচনায় নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফসান সামি, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম আবির, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: শাহাদাৎ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ দফা দাবি, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ১২ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!