📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ৭ শিক্ষক গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' পেয়েছেন। বুধবার অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ৭ জন শিক্ষক গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' লাভ করেছেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের ৭ জন শিক্ষক পেলেন 'রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫' — প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান
- 📌 অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছে: প্রফেসর ড. মো. ইয়ামিন কবীর (এগ্রোটেকনোলজি), প্রফেসর ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ (বায়োটেকনোলজি), সহকারী অধ্যাপক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার (এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স), প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ (ফিশারিজ), প্রফেসর ড. মো. ইফতেখার শামস (ফরেস্ট্রি), সহযোগী অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম (ফার্মেসি), ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মিল্টন হালদার (সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট)
- 📌 উপাচার্য বলেন, বর্তমান সরকার উদ্ভাবন ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবরেশনে গুরুত্ব দিচ্ছে
- 📌 অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, প্রতিটি গবেষণা মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত
- 📌 ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, গবেষণার কোনো সীমানা নেই এবং এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে
📰 বিস্তারিত
২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গবেষণাকর্মের মূল্যায়নের ভিত্তিতে জীব বিজ্ঞান স্কুলের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিমের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশের জনগণকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বড় ধরনের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হিটের আটটি প্রকল্প পেয়েছে এবং গবেষণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। তিনি বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর গবেষণার পরিবেশ তুলে ধরেন এবং অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানান। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের পথ উন্মোচিত হয় এবং এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে।
জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা ও ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক নওরিন আহসান হাবিব। এছাড়াও, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ ও অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. নাসিফ আহসানকে জীব বিজ্ঞান স্কুলের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়, যারা সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট থেকে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ পেয়েছেন।
"বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম প্রধান কাজ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ। রিসার্চ ফোকাসড বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে এগিয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত ৭ শিক্ষক (ড. ইয়ামিন কবীর, ড. মুরছালিন বিল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার, ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ, ড. মো. ইফতেখার শামস, মো. মনিরুল ইসলাম, ড. মিল্টন হালদার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন শিক্ষক, ৭টি ডিসিপ্লিন, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!