📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে গরুভোজ ও সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানের আয়োজন। প্রশাসন শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে। গরু কেনার খরচ ৮০ হাজার টাকা, অংশগ্রহণের জন্য ৪০ টাকা নিবন্ধন ফি নেওয়া হবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনিক ভবনের পাশে শনিবার (১৭ অক্টোবর) খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে গরুভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। গত শুক্রবার উপাচার্যের বাসভবনের পাশে গরু জবাই করে ভোজের আয়োজন করে ছাত্রসংসদ (জকসু)। এবার শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে গরু জবাই করা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটায় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গরুর মাংসের তেহারি বিতরণ করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে গরুভোজ অনুষ্ঠিত হয়, সন্ধ্যায় কাওয়ালি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 গরু কেনার খরচ ৮০ হাজার টাকা, অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের ৪০ টাকা নিবন্ধন ফি দিতে হবে
- 📌 ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির মাংসের ব্যবস্থা করা হয়েছে
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথমে কর্মসূচির বিরোধিতা করলেও শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে
- 📌 গত ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পশু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে গরু জবাই করেছিল
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব ওবায়দুল ইসলাম জানান, গত ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পশু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রতিবাদে গত শুক্রবার গরু জবাই করে ভোজের আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, “সারা বিশ্বে যে নেতিবাচক বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে তা সঠিক নয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ধর্ম ও মতের শিক্ষার্থীদের সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এ সম্প্রীতি ভোজের আয়োজন করছি। ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে এবং আমাদের প্রস্তুতি আরও বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া সাম্প্রদায়িক সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীরা মেনে নিচ্ছে না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান জানান, “আজ শিক্ষার্থীরা গরুভোজ করেছে। আমাদের আপত্তি থাকলেও আজকের পরিবেশ যথেষ্ট ভালো ছিল এবং সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল খেলাফত ছাত্র মজলিস আবারও গরুভোজ করতে চাচ্ছে। আমরা প্রথমে অনুমতি দিতে চাইনি। তবে সংগঠনটির নেতা মামুনুর রশিদ উপাচার্যকে ফোন করে অনুরোধ করেছেন। পরে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শুক্রবারের কর্মসূচি যে স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে, শনিবারও একই স্থানে আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
"সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মীমাংসিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মাঝে যে মনোমালিন্য তৈরি হয়েছে এবং সারা বিশ্বে যে নেতিবাচক বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে তা সঠিক নয়। বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ধর্ম ও মতের শিক্ষার্থীদের সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য এ সম্প্রীতি ভোজের আয়োজন করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওবায়দুল ইসলাম (সদস্যসচিব), ড. আজম খান (প্রক্টর), মামুনুর রশিদ (নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ অক্টোবর, ৩ টা ৩০ মিনিট, ৪০ টাকা, ৮০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!