📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে শিক্ষকসহ দুইজন আহত হন। মঙ্গলবার দুটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাসে হাতাহাতির পর অনুষদ ভবনে সংঘর্ষে শিক্ষক ড. শরিফুল ইসলাম ও শিক্ষার্থী আবু সাইদ মারাত্মক আহত হন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) বাংলা ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে শিক্ষকসহ দুইজন আহত হন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষদ ভবনের নিচে সংঘর্ষে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ড. শরিফুল ইসলামের বুকে আঘাত পড়ায় তিনি আহত হন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ মারাত্মকভাবে আহত হন এবং ঘটনাস্থলে তিনি জ্ঞান হারান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর ইবিতে আইসিটি ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে শিক্ষকসহ দুইজন আহত হন
- 📌 মঙ্গলবার বাসে হাতাহাতির পর প্রক্টর অফিসে আলোচনা শেষে সংঘর্ষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আহত হন
- 📌 ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, বিষয়টি ভিসির কাছে জানানো হয়েছে, পরবর্তী ব্যবস্থা ভিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে
- 📌 আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, বাংলা বিভাগের সভাপতি ড. মন্জুর রহমানসহ প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরকে লাঞ্চিত করা হয়
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রারত বাসে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের নিচে সংঘর্ষে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ড. শরিফুল ইসলামের বুকে আঘাত পড়ায় তিনি আহত হন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদ মারাত্মকভাবে আহত হন এবং ঘটনাস্থলে তিনি জ্ঞান হারান। ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, আইসিটি বিভাগের সভাপতি ও অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, বাংলা বিভাগের সভাপতি ও অধ্যাপক ড. মন্জুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর আব্দুল বারী ও খাইরুল ইসলামকে লাঞ্চিত করা হয়। এছাড়াও এই ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলী’তে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় মীমাংসার উদ্দেশ্যে প্রক্টর অফিসে আলোচনা হয়। সেখানে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মীমাংসা শেষে তারা কোলাকুলিও করেন। মীমাংসা শেষে আইসিটি বিভাগের শিক্ষক ড. জাহিদুল ইসলাম অনুষদ ভবন থেকে বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর আইসিটি বিভাগের বাকি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বের হওয়ার সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আচমকা হামলা করেন। এসময় শিক্ষক শরীফুল ইসলাম ও আবু সাইদকে আঘাত করা হয়।
আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আলোচনার পর তারা সমঝোতায় সম্মত হয়ে প্রক্টর অফিস থেকে বের হচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। ওই সময় আমাদের সঙ্গে আটজন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক ছিলেন। হামলায় আমাদের দুই শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং একজন শিক্ষকও আহত এবং দুইজন শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।” অন্যদিকে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আলোচনা শেষে আমরা সবাই প্রক্টর অফিস থেকে নিচে আসছিলাম। সেসময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ছিল। তারা ওদের (আইসিটি) ওপর অ্যাটাক করেছে এবং সেখানে শিক্ষকরাও ছিলেন। শিক্ষকরাও এটা ট্যাকল করতে পারেননি।”
"আলোচনার পর তারা সমঝোতায় সম্মত হয়ে প্রক্টর অফিস থেকে বের হচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। ওই সময় আমাদের সঙ্গে আটজন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক ছিলেন। হামলায় আমাদের দুই শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং একজন শিক্ষকও আহত এবং দুইজন শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন।"
"আলোচনা শেষে আমরা সবাই প্রক্টর অফিস থেকে নিচে আসছিলাম। সেসময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ছিল। তারা ওদের (আইসিটি) ওপর অ্যাটাক করেছে এবং সেখানে শিক্ষকরাও ছিলেন। শিক্ষকরাও এটা ট্যাকল করতে পারেননি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. শাহীনুজ্জামান, ড. শরিফুল ইসলাম, আবু সাইদ, ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, ড. মন্জুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন আহত (শিক্ষকসহ), ৩০ সেপ্টেম্বর, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!