📌 বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-গবেষক স্থান পেয়েছেন। একইসাথে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায়
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন। এছাড়াও, বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায়। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসের এলসেভিয়ার যৌথভাবে প্রকাশিত এই তালিকায় ঢাবির গবেষকদের গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স এবং আন্তর্জাতিক প্রভাবের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-গবেষক স্থান পেয়েছেন
- 📌 বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায়
- 📌 গবেষকদের এইচ-ইনডেক্সের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, সর্বোচ্চ স্থান পেয়েছেন অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী (৭৪৩,৮৩৪)
- 📌 উপাচার্য ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের প্রতিফলন এই স্বীকৃতি
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের গবেষণা বৃত্তির জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-গবেষক স্থান পেয়েছেন। এই তালিকায় ঢাবির শিক্ষক-গবেষকদের নাম ও তাদের এইচ-ইনডেক্সের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকায় ঢাবির শিক্ষক-গবেষকদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান পেয়েছেন অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী (৭৪৩,৮৩৪), তার পরেই মো. আব্দুর রশীদ (৩৯২,৫৩৬)।
এই তালিকায় ঢাবির শিক্ষক-গবেষকদের মধ্যে অন্যতম হলেন মো. রাকিবুল হক (৪৬,১০৪), আবদুস সালাম (৫৩,৫০৩), মো. মাহবুবুর রহমান (৫৬,২৫৫), তসলিম উর রশিদ (৬৭,০৪৯), মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ (৬৭,২৮০), এম. রেজাউল ইসলাম (৮৪,৪৮০), সুবর্ণ বড়ুয়া (৯৪,২০৭), নেপাল চন্দ্র রায় (১০১,৭৪৬), মো. কাওসার আহমেদ (১১২,৫৩১), সৈকত মিত্র (১২৪,২৯০), এম. এ. বি. এইচ. সুসান (১৪৭,১২১), মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম (১৫৬,৬৭০), মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (১৫৮,৯০৮), শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম (১৯৮,৭০১), মো. আবদুস সালাম (২০৬,৯১৮), খন্দকার সামাহের সালেম (২৫২,৬৯৫), মোহাম্মদ ফেরদৌস (২৭০,৫২৩), মোহাম্মদ আব্দুল মতিন (৩০৭,১৩১), মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩৫০,৬৯১), এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল (৩৫৩,২৯৯)।
এই অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষকের স্থান পাওয়া অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি আমাদের গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।’ তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান নয়, গবেষণা ও জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
"বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের তালিকায় তাঁদের অন্তর্ভুক্তি তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গবেষণার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। গবেষকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী, মো. রাকিবুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ জন শিক্ষক-গবেষক, ৭৪৩,৮৩৪ (অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তীর এইচ-ইনডেক্স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!