📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ফেসবুক স্ট্যাটাসে উপাচার্যকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, তিনি জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে লড়াই করেছেন। উপাচার্য ও ১১ জনের স্বাস্থ্য অবনতির কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন দুজন
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকাশিত একটি সাবধানবার্তায় উপাচার্যকে সমর্থন জানিয়ে বলা হয়েছে, তিনি জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে লড়াই করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার হয় চুয়েট উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম।
- 📌 রাশেদ খাঁন ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, উপাচার্য জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে লড়াই করেছেন।
- 📌 ১১ জনের স্বাস্থ্য অবনতির কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন দুজন, তাদের মধ্যে একজন অ্যালামনাই সদস্য।
- 📌 সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
- 📌 মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার উপাচার্যকে উদ্ধার করেন।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপাচার্য কার্যালয় ছাড়েননি, ফলে দুপুর সাড়ে ১২টায় ভবনের ফটকে আবার তালা দেওয়া হয়। এরপর টানা ৩০ ঘণ্টা উপাচার্য ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী অবরুদ্ধ ছিলেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ক্যাম্পাসে গিয়ে উপাচার্যকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশি পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তাদের ১১ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। অসুস্থ হয়ে পড়েন দুজন অ্যালামনাই সদস্য। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়। উপাচার্য বলেন, রাষ্ট্র তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই অর্পিত দায়িত্ব পালন করতেই তিনি চট্টগ্রামে এসেছেন। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে বা দলীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে তিনি আসেননি।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের পক্ষে রাজপথে নেমেছিলেন চুয়েটের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। তিনি চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীও বটে। অথচ তাকে বলা হচ্ছে যে, কোনো বহিরাগতকে আমরা ভিসি হিসেবে মানবো না! তিনি কুয়েটে অধ্যাপনা করে আবার নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে এসেছেন, এটা তো তাদের জন্যই গর্বের বিষয় হওয়ার কথা। কিন্তু তার একটাই অপরাধ যে, তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে ছাত্রদের পক্ষে লড়াই করেছেন।’
"আর ঠিক এই অপরাধে শিবিরের গুপ্ত শাখার সদস্যরা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে উস্কানি দিয়ে একজন শিক্ষিক ও ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীকে বহিরাগত তকমা দিয়ে যে বেয়াদবি করেছে, এটা অসহনীয়। যারা আওয়ামী লীগের সময় ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিলো, তাদের বেয়াদবিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম, রাশেদ খাঁন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, ১১ জনের স্বাস্থ্য অবনতি, ২ জন হাসপাতালে ভর্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!