📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফোনের বাক্সে চার্জার না দেওয়ার পেছনে কী রহস্য? পরিবেশ নিরাপত্তা কি একমাত্র কারণ?

ফোনের বাক্সে চার্জার না দেওয়ার পেছনে কী রহস্য? পরিবেশ নিরাপত্তা কি একমাত্র কারণ?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আইফোন ১২ এবং গ্যালাক্সি এস-২১ সিরিজ থেকে শুরু করে অনেক ফোন নির্মাতা ফোনের বাক্স থেকে চার্জার বাদ দিচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও উৎপাদন খরচ কমানোর দাবি হলেও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রশ্নও উঠছে। ইউএসবি-সি প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের সুবিধা দিচ্ছে, কিন্তু নতুন চার্জার কেনার প্রয়োজনীয়তা কতটা কমছে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে

বিশ্বের অনেক ফোন নির্মাতা নতুন মুঠোফোনের বাক্স থেকে চার্জার বাদ দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের পেছনে পরিবেশ সুরক্ষা ও খরচ কমানোর যুক্তি দিচ্ছে তারা। তবে ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রশ্নও উঠছে। প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২০ সালে আইফোন ১২ সিরিজ থেকে শুরু করে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-২১ সিরিজের মতো বহু ফোন নির্মাতা বাক্স থেকে চার্জার বাদ দিচ্ছে
  • 📌 পরিবেশ সুরক্ষা ও উৎপাদন খরচ কমানোর দাবি হলেও, ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
  • 📌 ইউএসবি-সি প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের একাধিক যন্ত্রের জন্য একই চার্জার ব্যবহারে সহায়তা করছে
  • 📌 দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য নতুন চার্জারের প্রয়োজন হতে পারে, যা পরিবেশগত সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তোলে

📰 বিস্তারিত

একসময় নতুন মুঠোফোনের বাক্সে চার্জার, চার্জিং কেবল এবং ইয়ারফোন থাকতো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথমে ইয়ারফোন বাদ পড়ল, তারপর চার্জার। এখন অনেক ফোন কিনতে গেলে চার্জার আলাদাভাবে কিনতে হয়। পরিবেশ সুরক্ষার যুক্তিতে নির্মাতারা এই পরিবর্তন এনেছে। তবে উৎপাদন খরচ কমানোর বিষয়টিও কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২০ সালে অ্যাপল আইফোন ১২ সিরিজের সঙ্গে বক্সে চার্জিং অ্যাডাপ্টার দেওয়া বন্ধ করে দেয়। পরের বছর স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-২১ সিরিজের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর আরও বেশ কয়েকটি ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোনের বাক্স থেকে চার্জার সরিয়ে নেয়। তবে এখনো অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সঙ্গে চার্জার দেওয়া হয়।

চার্জার বাদ দেওয়ার পক্ষে নির্মাতাদের প্রধান যুক্তি পরিবেশ সুরক্ষা। তাদের দাবি, অনেক ব্যবহারকারীর বাড়িতেই একাধিক চার্জার রয়েছে। ফলে প্রতিটি নতুন ফোনের সঙ্গে আরেকটি চার্জার দিলে এমন অনেক পণ্য তৈরি হতে পারে, যেগুলো কখনো ব্যবহারই করা হবে না। অন্যদিকে বাক্সের আকার ছোট হলে প্যাকেজিংয়ের উপকরণ কম লাগে। একই জায়গায় বেশি ফোন পরিবহন করা সম্ভব হয়, যা পরিবহনব্যবস্থাকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলে।

তবে পরিবেশ সুরক্ষাই কি চার্জার বাদ দেওয়ার একমাত্র কারণ? চার্জার বাদ দিয়ে কতটা খরচ বাঁচে, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে। চার্জার বাদ দিয়ে নির্মাতাদের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ কমে। একটি আনুষঙ্গিক পণ্য কম তৈরি করতে হয়, প্যাকেজিং করতে হয় না, পরিবহনও করতে হয় না। বাক্সের আকার ছোট হওয়ায় একই চালানে বেশি ফোন পাঠানো সম্ভব হয়। কোটি কোটি ফোন বিক্রির ক্ষেত্রে প্রতিটি ফোনে সামান্য খরচ কমলেও সব মিলিয়ে সাশ্রয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য নতুন চার্জারের প্রয়োজন হতে পারে। ফোন নির্মাতারা প্রতিবছরই ব্যাটারির উন্নতি ও দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির নতুন সুবিধা তুলে ধরেন। কোনো কোনো ফোন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চার্জ নিতে পারে। তবে সব চার্জার দিয়ে সব ফোনে দ্রুত চার্জ দেওয়া যায় না। বাড়িতে থাকা পুরোনো চার্জারটি নতুন ফোনের সঙ্গে কাজ করলেও সেটি নতুন ফোনের সর্বোচ্চ চার্জিং গতি সমর্থন করতে পারে না। ফলে বেশি দাম দিয়ে নতুন ফোন কেনার পর ব্যবহারকারীকে আলাদা করে চার্জার কিনতে হতে পারে। এতে ফোনের সঙ্গে চার্জার না দেওয়ার পরিবেশগত যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কারণ আলাদাভাবে চার্জার কিনলেও সেটির প্যাকেজিং তৈরি ও পরিবহন করতে হয়।

অবশ্য সবাই যে নতুন চার্জার কেনেন, তা নয়। অনেক ব্যবহারকারী পুরোনো চার্জার দিয়েই নতুন ফোন ব্যবহার করেন। তাঁদের ক্ষেত্রে নতুন চার্জার উৎপাদনের প্রয়োজন না হওয়ায় পরিবেশের ওপর চাপ কমতে পারে। ইউএসবি-সি প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের সুবিধা দিচ্ছে। এখন একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ইউএসবি-সি চার্জার দিয়ে অনেক ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র চার্জ করা যায়। ফলে আলাদা আলাদা যন্ত্রের জন্য ভিন্ন চার্জার রাখার প্রয়োজন অনেকটাই কমেছে। একসময় বিভিন্ন নির্মাতার আলাদা চার্জিং সংযোগব্যবস্থার কারণে ব্যবহারকারীদের বাড়তি ঝামেলায় পড়তে হতো। সে তুলনায় ইউএসবি-সি প্রযুক্তির প্রসার ব্যবহারকারীদের জন্য সুবিধাজনক হয়েছে।

"একই চার্জার একাধিক যন্ত্রে ব্যবহার করা গেলে নতুন চার্জার কেনার প্রয়োজনও কমতে পারে। এতে ইলেকট্রনিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বের বিভিন্ন ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান (অ্যাপল, স্যামসাং, অন্যান্য)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবহারকারীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২.০ (আইফোন ১২ সিরিজ), ২১.০ (গ্যালাক্সি এস-২১ সিরিজ), ১৫.০ (মিনিটে চার্জ), ২০.০ (মিনিটে চার্জ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖