📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন নৌবাহিনীর গোপন গবেষণালব থেকে জন্ম নিল টর নেটওয়ার্ক: ডিজিটাল স্বাধীনতার রক্ষক

মার্কিন নৌবাহিনীর গোপন গবেষণালব থেকে জন্ম নিল টর নেটওয়ার্ক: ডিজিটাল স্বাধীনতার রক্ষক

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষণালব থেকে উদ্ভূত টর নেটওয়ার্কের ইতিহাসে গোপনীয়তা রক্ষার প্রযুক্তি হিসেবে এর জন্ম। সাইফারপাঙ্ক হ্যাকারদের সাথে সামরিক গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি এই নেটওয়ার্ক এখন বিশ্বব্যাপী ডার্ক ওয়েব হিসেবে পরিচিত

ডিজিটাল যুগে গোপনীয়তা রক্ষার জন্য টর নেটওয়ার্কের গুরুত্ব অপরিসীম। মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষণালব থেকে উদ্ভূত এই প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ডার্ক ওয়েব হিসেবে পরিচিত। টর প্রকল্পের পেছনে লুকিয়ে আছে সামরিক গবেষক ও হ্যাকারদের অদ্ভুত জোটের গল্প।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষণালব থেকে উদ্ভূত টর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল ডিজিটাল গোপনীয়তার প্রযুক্তি।
  • 📌 টর নেটওয়ার্কের মূল ভিত্তি তৈরি হয় মার্কিন নেভাল রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে ডেভিড গোল্ডশ্লাগ, মাইক রিড ও পল সাইভারসন নামের তিন গবেষকের প্রচেষ্টায়।
  • 📌 অনিয়ন রাউটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেটের মেটাডেটা তিন স্তরের এনক্রিপশনে লুকিয়ে রাখা হয়, যা উৎস ও গন্তব্য উভয়ই গোপন রাখে।
  • 📌 টর নেটওয়ার্কের পেছনে সাইফারপাঙ্ক হ্যাকারদের সাথে মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টা ছিল।
  • 📌 টর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটের মেটাডেটা নজরদারির হাত থেকে রক্ষা পায়, যা সরকার ও আইএসপির নজরদারি থেকে রক্ষা করে।

📰 বিস্তারিত

ডিজিটাল স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে পরিচিত টর নেটওয়ার্কের ইতিহাস শুরু হয় মার্কিন নৌবাহিনীর গবেষণালব থেকে। এই নেটওয়ার্কের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটের মেটাডেটা নজরদারির হাত থেকে রক্ষা করা। মার্কিন নৌবাহিনীর নেভাল রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে ডেভিড গোল্ডশ্লাগ, মাইক রিড ও পল সাইভারসন নামের তিন গবেষক এই প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করেন।

বাণিজ্যিক ইন্টারনেটের উত্থানের সময় সাইফারপাঙ্ক হ্যাকাররা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, ইন্টারনেট স্বৈরাচারী রূপ ধারণ করতে পারে। তারা বিশ্বাস করতেন এনক্রিপশন প্রযুক্তি ইন্টারনেটের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। মার্কিন সরকারের অভ্যন্তরীণ স্বার্থ রক্ষার জন্য ইন্টারনেটের রাউটিং সিস্টেমে মেটাডেটা ব্যবহারের ওপর নির্ভরতা ছিল। এই সমস্যা সমাধানের জন্য গবেষকরা অনিয়ন রাউটিং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।

অনিয়ন রাউটিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেটের রাউটিং তথ্য তিন স্তরের এনক্রিপশনে লুকিয়ে রাখা হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনিয়ন রিলে সার্ভারের মাধ্যমে ট্রাফিক বাউন্স করানো হয়। প্রতিটি রিলে একটি করে এনক্রিপশন স্তর খুলে পরবর্তী সার্ভারের ঠিকানা প্রকাশ করে। এর ফলে কোনো সার্ভারের পক্ষেই উৎস ও গন্তব্য একসঙ্গে দেখা সম্ভব হয় না।

"সামরিক বাহিনীকে গতির সুবিধা দেবার পাশাপাশি নেটওয়ার্কের মেটাডেটা ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য অনিয়ন রাউটিং ধারণা উদ্ভাবিত হয়েছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মার্কিন নৌবাহিনীর নেভাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেভিড গোল্ডশ্লাগ, মাইক রিড, পল সাইভারসন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖