📌 প্রকৌশল শিক্ষা ছাড়াই উত্তরাখণ্ডের তরুণ রবি তামতা ১৩ বছর ধরে নিজস্ব পরীক্ষানিরীক্ষায় বৈদ্যুতিক উড়ন্ত যান 'হাপিডা স্কাইনেক্স' তৈরি করেছেন। এতে রানওয়ে ছাড়াই উড়তে পারে এবং ব্যাটারি চালিত। তবে নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ছাড়া বাস্তব ব্যবহারের জন্য এখনো পরীক্ষা চলছে
অনলাইন শিক্ষা ও নিজস্ব পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া জেলার তরুণ রবি তামতা বৈদ্যুতিক উড়ন্ত যান 'হাপিডা স্কাইনেক্স' তৈরি করেছেন। প্রকৌশল শিক্ষা ছাড়াই ১৩ বছর ধরে নিজের জ্ঞান গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি এই প্রোটোটাইপটি বানিয়েছেন। আগস্ট মাসে এর পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে, তবে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এখনো পরীক্ষা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রবি তামতা** (২৮) — উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া জেলার শিক্ষক, মানবিক বিভাগে স্নাতক
- 📌 **হাপিডা স্কাইনেক্স** — একক আসনের বৈদ্যুতিক উড়ন্ত যান, রানওয়ে ছাড়াই উড়তে পারে
- 📌 **১৩ বছর** — অনলাইন তথ্য ও নিজস্ব পরীক্ষানিরীক্ষায় প্রোটোটাইপ তৈরি
- 📌 **ব্যাটারি চালিত** — জ্বালানি বা ইথানলের প্রয়োজন নেই, মাল্টিরোটর ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার
- 📌 **অনুমোদন অপেক্ষায়** — ডিজিসিএ অনুমতি ছাড়া বাস্তব ব্যবহারের জন্য পরীক্ষা চলছে
- 📌 **স্বল্প দূরত্বের যাতায়াত** — উদ্দেশ্য: দুর্গম এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা পরিবহন
📰 বিস্তারিত
রবি তামতা জাগেশ্বর ধামের কাছে কাফলিখান এলাকায় বেড়ে ওঠেন। পাহাড়ি সড়কে হাসপাতালে যাতায়াতের দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা থেকেই তার উড়ন্ত যানের স্বপ্ন জন্ম নেয়। ২০১৫ সাল থেকে তিনি এই উদ্ভাবনের দিকে মনোনিবেশ করেন। নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করা 'হাপিডা স্কাই প্রাইভেট লিমিটেড' এর মাধ্যমে তিনি এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছেন।
তামতার বাবা হরিশ রাম একজন মেকানিক। আনুষ্ঠানিক প্রকৌশল প্রশিক্ষণ ছাড়াই তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং বারবার পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধি করেছেন। প্রোটোটাইপটিতে একাধিক বৈদ্যুতিক মোটর ও প্রপেলার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ড্রোন প্রযুক্তির মতো কাজ করে। যানটির কাঠামো হালকা এবং ব্যাটারি চালিত, ফলে কোনো জ্বালানি বা ইথানলের প্রয়োজন হয় না।
এটি তার প্রথম উদ্ভাবন নয়। আগে তিনি মোবাইল চার্জার জুতা, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য স্মার্ট হাঁটার লাঠি, বাঁশ চেরার যন্ত্র এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম তৈরি করেছেন। এই উড়ন্ত যানটির উদ্দেশ্য দুর্গম এলাকায় স্বল্প দূরত্বের যাতায়াত দ্রুততর করা এবং চিকিৎসা জরুরি অবস্থায় ব্যবহার করা। তবে বাস্তব ব্যবহারের আগে আরও পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদন প্রয়োজন।
"আমি ইন্টারনেটই ছিল শিক্ষক। বারবার পরীক্ষানিরীক্ষা করে নিজের জ্ঞান গড়ে তুলেছি। এই উদ্ভাবনটি দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্য সেবা দ্রুত পৌঁছাতে সাহায্য করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া জেলা, কাফলিখান এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবি তামতা (২৮), শিক্ষক ও উদ্ভাবক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (পরীক্ষানিরীক্ষা), একক আসন, মাল্টিরোটর প্রযুক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!