📌 স্ক্যান মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সামির আহমেদ পডকাস্ট সঞ্চালনার পেশাদার টিপস শেয়ার করেছেন। এক ঘণ্টার কথোপকথন থেকে ২০-৩০টি শর্ট কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব। শুরুতে খরচ কমিয়ে প্রোডাকশন কস্ট ম্যানেজ করা যায়
পডকাস্ট সঞ্চালনার পেশাদার পদ্ধতি জানতে চান? স্ক্যান মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও পডকাস্ট হোস্ট সামির আহমেদ ‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেছেন, পডকাস্টের সম্ভাবনা অনেক বেশি, যদি এক ঘণ্টার কথোপকথনকে ভেঙে বহু কনটেন্টে রূপ দিতে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরে স্ক্যান মিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেন সামির আহমেদ, যাত্রা শুরু করেন ২০২৩ সালে ২০ বছর বয়সে
- 📌 অস্ট্রেলিয়ায় দেখে বুঝতে পারেন, পডকাস্টকে অফলাইন শুট করে এক ঘণ্টার কথোপকথন থেকে ২০-৩০টি শর্ট কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব
- 📌 প্রথম ক্লায়েন্ট হিসেবে ‘টু সেন্টস পডকাস্ট’-এর সাথে কাজ শুরু করেন, যেখানে এনায়েত ভাই ও খালিদ ফারহান ভাই পডকাস্টের সম্ভাবনাটি বুঝতে পেরেছিলেন
- 📌 এক দিনে ৪টি পডকাস্ট এপিসোড শুট করে খরচ কমাতে পারেন, সিনেমাটোগ্রাফারের খরচ একাধিক এপিসোডে ভাগ করে নিতে পারেন
- 📌 ৩ মিনিটের ক্লিপ থেকে রিলস পর্যন্ত তৈরি করা যায়, শুরুতে শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশ কেটে পোস্ট করা যেতে পারে
- 📌 পডকাস্টের মূল ধারণা হলো: এক ঘণ্টার কথোপকথন থেকে একাধিক কনটেন্ট তৈরি করা
📰 বিস্তারিত
‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’ কর্মশালার তৃতীয় সেশনে সামির আহমেদ পডকাস্ট সঞ্চালনার পেশাদার পদ্ধতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, পডকাস্টের সম্ভাবনা অস্ট্রেলিয়ায় দেখে বুঝতে পারেন। সেখানে পডকাস্ট সংস্কৃতি অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়। অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমেই মানুষ পডকাস্ট করত। বাংলাদেশে করোনা মহামারির সময় ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে অনেকটা পডকাস্টের মতো আলোচনা শুরু হয়েছিল।
সামির আহমেদ বলেন, “আমি ২০২২ সালের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসি। তখন দেশে একটি প্রোডাকশন হাউস শুরু করি। ২০২৩ সালের মার্চে প্রায় চার-পাঁচজনের ছোট টিম নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু। টিমে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার, প্রজেক্ট প্ল্যানারসহ আরও কয়েকজন। আমার বয়স তখন মাত্র ২০ বছর। কাজের পরিসরও খুব বড় ছিল না। কিন্তু আমি দেখতে পেলাম, পডকাস্টকে যদি একটু পরিকল্পিতভাবে অফলাইনে শুট করা যায়, তাহলে এর সম্ভাবনা অনেক বেশি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথম ক্লায়েন্ট হিসেবে আমরা ‘টু সেন্টস পডকাস্ট’-এর সাথে কাজ শুরু করি। এনায়েত ভাই ও খালিদ ফারহান ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁদের বলি, ‘আপনারা কি ভিডিও পডকাস্ট করতে চান? আমি ক্যামেরা ও প্রয়োজনীয় অ্যাকসেসরিজ নিয়ে আছি। আমরা চাইলে পডকাস্টকে আরও প্রফেশনালভাবে করতে পারি।’”
সামির আহমেদ বলেন, “পডকাস্ট মানেই বেশি খরচ নয়। শুরুতে বিষয়টি সেভাবে কঠিন নয়। আমরা শুরুতে এক দিনে চারটি পডকাস্ট এপিসোড শুট করতাম। এতে প্রোডাকশন কস্ট অনেক কমে যেত। একটি পডকাস্ট থেকে একাধিক কনটেন্ট তৈরি করা সম্ভব। ধরুন, আপনি এক ঘণ্টার একটি পডকাস্ট রেকর্ড করলেন। এরপর সেই এক ঘণ্টা থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বের করে ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করলেন। একটি ভালো এপিসোড থেকে ২০-৩০টি রিল তৈরি করা সম্ভব।”
"আমরা শুরুতে শুধু গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো কেটে আলাদা করে পোস্ট করতাম। পরে বাজেট বাড়লে ভালো এডিটর দিয়ে সাবটাইটেল, গ্রাফিকস, ভিজ্যুয়াল ও অন্যান্য উপাদান যোগ করতাম। সব সময় স্টুডিওতে বসেই পডকাস্ট করতে হবে এমনটাও নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইনেও পডকাস্ট করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামির আহমেদ, এনায়েত ভাই, খালিদ ফারহান ভাই, ফারহান সাকিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২২, ২০ বছর, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০-৩০টি কনটেন্ট, ৪টি এপিসোড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!