📌 নিকনের ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী ভিডিওতে এআই ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, বিজয়ী ভিডিওতে কৃত্রিমভাবে গঠন ও নড়াচড়া তৈরি করা হয়েছে। নিকন তদন্ত করছে এবং বিজয়ী গবেষক এআই ব্যবহারের দাবি অস্বীকার করেছেন
নিকনের ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী ভিডিওতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, বিজয়ী ভিডিওতে এআই ব্যবহার প্রতিযোগিতার নিয়মের বিরুদ্ধে। নিকন তদন্ত করছে এবং বিজয়ী গবেষক ড. নিং শুর এআই ব্যবহারের দাবি অস্বীকার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. নিং শুর জমা দেওয়া ভিডিও বিজয়ী হয়েছে, কিন্তু বিজ্ঞানীদের অভিযোগ, এআই ব্যবহারের কারণে নিয়ম ভঙ্গ হয়েছে
- 📌 ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এডওয়ার্ড ফেলপস বলেছেন, ভিডিওতে সিলিয়ার গঠন ‘হঠাৎ দৃশ্যমান-অদৃশ্য’ হয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়
- 📌 ইউটি সাউথওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টারের শিক্ষার্থী ইয়ান ডোনোভান দাবি করেছেন, মূল ছবিতে এআই ওয়াটারমার্কের ইঙ্গিত পাওয়া যায়
- 📌 নিকন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পায়নি, তবে তদন্ত চলছে
- 📌 বিজয়ী ভিডিওতে এআই ব্যবহারের কারণে অন্য প্রতিযোগীদের প্রতি অন্যায় হবে বলে অভিযোগ করেছেন পঞ্চম স্থান অধিকারী ড. প্যাট্রিক হিকি
📰 বিস্তারিত
গত ১৫ বছর ধরে আয়োজিত ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. নিং শুর জমা দেওয়া একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিও। এতে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশুর শ্বাসনালিতে থাকা ‘সিলিয়া’র নড়াচড়া দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে বিজয়ী ভিডিওতে কৃত্রিমভাবে রঙিন উপস্থাপনা এবং গঠন পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে।
ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এডওয়ার্ড ফেলপস নিকনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন, “ভিডিওতে কিছু সিলিয়া যেন ‘কোথাও থেকে আবির্ভূত’ হয়েছে এবং হঠাৎ ‘দৃশ্যমান হয়ে আবার অদৃশ্য’ হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের পরিবর্তন এআই ব্যবহারের ইঙ্গিত দেয়।” অন্যদিকে, ইউটি সাউথওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টারের পিএইচডি শিক্ষার্থী ইয়ান ডোনোভান দাবি করেছেন, মূল ছবিতে এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার ইঙ্গিতবাহী একটি বিশেষ ওয়াটারমার্ক রয়েছে।
প্রতিযোগিতার দুই সাবেক বিচারকও ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ড. নিং শু নিজে নিকনের লিংকডইন পোস্টে জবাব দিয়েছেন, “ধূসর রঙের পুনর্গঠিত ছবিতে বৈশিষ্ট্য আলাদা করতে এআই ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু পরীক্ষামূলক ভিডিও, সিলিয়া বা সিলিয়ার নড়াচড়া তৈরিতে এআই ব্যবহৃত হয়নি।” নিকন জানিয়েছে, ড. নিং শু তদন্তে সহযোগিতা করছেন এবং অতিরিক্ত কারিগরি নথিও প্রদান করেছেন। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এখন পর্যন্ত কোনো নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পায়নি, তবে তদন্ত শেষে হালনাগাদ তথ্য দেওয়া হবে।
"ভিডিওতে কিছু গঠনকে হঠাৎ ‘দৃশ্যমান হয়ে আবার অদৃশ্য’ হতে দেখা যায় এবং কিছু সিলিয়া যেন ‘কোথাও থেকে আবির্ভূত’ হয়েছে।"
"মূল ছবিতে এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার ইঙ্গিতবাহী একটি বিশেষ ওয়াটারমার্ক থাকার দাবি করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয় (চীন), ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয় (ফ্লোরিডা), ইউটি সাউথওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টার (টেক্সাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নিং শু, এডওয়ার্ড ফেলপস, ইয়ান ডোনোভান, ড. প্যাট্রিক হিকি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (প্রতিযোগিতার ইতিহাস), ৩ হাজার ডলার (পুরস্কার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!