📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২৭ সালের জানুয়ারিতে এনইআইআর চালু: অবৈধ মোবাইল থেকে ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি বন্ধের নতুন উদ্যোগ

২০২৭ সালের জানুয়ারিতে এনইআইআর চালু: অবৈধ মোবাইল থেকে ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি বন্ধের নতুন উদ্যোগ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন (এনইআইআর) পুনরায় চালু করবে। অবৈধ মোবাইল ফোন উৎপাদন ও চোরাচালান থেকে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন (এনইআইআর) পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য অবৈধ ও ক্লোন মোবাইল ফোন শনাক্ত করে বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ করা এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতি প্রতিরোধ করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালু হবে, যা অবৈধ মোবাইল ফোন উৎপাদন ও চোরাচালান থেকে ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ করবে
  • 📌 প্রথম ধাপে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না, বর্তমান সচল ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে
  • 📌 ২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবহারের অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি তুলে ধরেন
  • 📌 ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার বন্ধের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছে
  • 📌 ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে মূল উদ্দেশ্য অর্জিত হয়নি

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন (এনইআইআর) পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অবৈধ ও ক্লোন মোবাইল ফোন শনাক্তের পাশাপাশি মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়ন অনুযায়ী, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে প্রতিবছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বিটিআরসির কমিশন সভায় স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়েছিল। তবে তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে এ ব্যবস্থা চালুর মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রমগুলো চালু করা হবে। তবে এ পর্যায়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর হবে না। বর্তমান মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সচল থাকা ফোনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। একই সঙ্গে অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরও নতুন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা, চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা মোবাইল ফোন শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থাও রাখা হবে। দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতি প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে অবৈধ ও অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে অর্থনৈতিক এবং জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি তুলে ধরেন। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন ও মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়ও এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়। সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ওই সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়।

"অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন মোবাইল ফোন সংঘবদ্ধ অপরাধ, ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল ফোনের পরিচয় শনাক্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাপরিচালক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি, ২ হাজার কোটি টাকা, ২০২৯ সালের ডিসেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖