📌 বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন মোবাইল ব্যালেন্স লোনে করের দ্বিগুণ চাপের অভিযোগ তুলেছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, ঋণ গ্রহণের আগেই করের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করতে হবে এবং কর্তন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন মোবাইল ব্যালেন্স লোনের ওপর করের দ্বিগুণ চাপের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি দাবি করেছে, ব্যালেন্স লোনের সার্ভিস চার্জ ও করের পূর্ণাঙ্গ হিসাব ঋণ নেওয়ার আগেই গ্রাহকদের জানাতে হবে। সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এসব দাবি তুলে ধরেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোবাইল অপারেটররা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ব্যালেন্স লোন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যার জন্য ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে
- 📌 ৫০০ টাকার ব্যালেন্স লোনে প্রথম ধাপে ২৯০ টাকা করের হিসাব আসতে পারে, যা সার্ভিস চার্জের পাশাপাশে কর আরোপের কারণে গ্রাহকের ব্যয় বাড়িয়ে তুলতে পারে
- 📌 ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের বিভিন্ন পর্যায়ে কর কাটা হলে আইনগতভাবে একই কর একাধিকবার আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে সংগঠনটি
- 📌 বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌথ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন
- 📌 নিম্ন আয়ের মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবীদের জন্য অতিরিক্ত ব্যয় উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে সংগঠন
📰 বিস্তারিত
মোবাইল ব্যালেন্স লোনকে জরুরি যোগাযোগের সমস্যা মোকাবেলার একটি সাময়িক আর্থিক সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সার্ভিস চার্জের পাশাপাশি কর আরোপ এবং ঋণ সমন্বয়ের সময় পুনরায় কর কাটা হলে গ্রাহকের ব্যয় অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেড়ে যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে ১০০ টাকার মোবাইল সেবায় ৫৮ টাকা কর আদায় করা হয়। সে হিসাবে ৫০০ টাকার বিপরীতে প্রথম ধাপে ২৯০ টাকা করের হিসাব আসতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একজন গ্রাহক ৫০০ টাকা ব্যালেন্স লোন নিলে নির্ধারিত শর্তে ওই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ঋণ গ্রহণ, সার্ভিস চার্জ ও ঋণ সমন্বয়ের বিভিন্ন পর্যায়ে কর কাটা হলে গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। সংগঠনটি দাবি করেছে, ঋণ হিসেবে দেওয়া ব্যালেন্স, সার্ভিস চার্জ, ব্যবহৃত টেলিযোগাযোগ সেবা এবং পরবর্তী রিচার্জ থেকে ঋণ সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কোন খাতে কী হারে কর প্রযোজ্য হচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করতে হবে।
মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মোবাইল ফোন এখন শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, কর্মসংস্থান, ব্যাংকিং ও জরুরি যোগাযোগের অপরিহার্য মাধ্যম। ব্যালেন্স লোনের মতো সাময়িক আর্থিক সুবিধায় অতিরিক্ত চার্জ ও অস্পষ্ট করের কারণে গ্রাহকের ব্যয় বাড়লে তা প্রকৃত অর্থে গ্রাহকবান্ধব সেবা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
"মোবাইল অপারেটরদের বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমানে ১০০ টাকার মোবাইল সেবায় ৫৮ টাকা কর আদায় করা হয়। সে হিসাবে ৫০০ টাকার বিপরীতে প্রথম ধাপে ২৯০ টাকা করের হিসাব আসে। এর সঙ্গে রয়েছে ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ। ব্যালেন্স লোন নেওয়ার সময় একবার এবং পরিশোধের সময় আবার কর কাটা হলে গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিউদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা (ব্যালেন্স লোন), ১০ টাকা (সার্ভিস চার্জ), ৫৮ টাকা (১০০ টাকার সেবায় কর), ২৯০ টাকা (৫০০ টাকার বিপরীতে কর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!