📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারহাউন্ড কোম্পানি সামরিক বাহিনীর জন্য জিন এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুপারডগ তৈরি করতে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মিলিটারি কুকুরের ডিএনএ সংগ্রহ করে ক্লোনিং ও জিন মডিফিকেশনের মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে প্রথম ব্যাচের কুকুরের জন্ম দিতে চাইছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় নানাবিধ নৈতিক ও বিজ্ঞানগত ঝুঁকি রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের একটি নতুন ডিফেন্স-বায়োটেকনোলজি স্টার্টআপ কোম্পানি ওয়ারহাউন্ড সামরিক বাহিনীর জন্য জিন এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুপারডগ তৈরি করতে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা কল্পবিজ্ঞানের মতো মনে হলেও বাস্তবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভয়ংকর যুদ্ধ-কুকুর তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই কুকুরগুলো হবে সাধারণ কুকুরের চেয়ে অনেক বড়, শক্তিশালী এবং নিখুঁত পারফরম্যান্স প্রদানকারী। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় জড়িত নৈতিক ও বিজ্ঞানগত ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ারহাউন্ড কোম্পানি সামরিক বাহিনীর জন্য জিন এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুপারডগ তৈরি করতে যাচ্ছে, যা ২০২৭ সালের প্রথম দিকে পৃথিবীর আলো দেখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 বিজ্ঞানীরা বেলজিয়ান ম্যালিনয় এবং শেফার্ড কুকুরের ডিএনএ সংগ্রহ করে তাদের বায়োব্যাংকে সংরক্ষণ করে ভ্রূণ তৈরি করবেন, যার জিনগুলো কাঁটাছেঁড়া করে সুপারডগ তৈরি করা হবে।
- 📌 ওয়ারহাউন্ডের মতে, তাদের তৈরি কুকুরগুলোতে কোনো রোগের জিন থাকবে না, ফলে তাদের আয়ু বাড়ানো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নিখুঁত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
- 📌 হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসক লিসা মোসেস বলেছেন, ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় অসংখ্য কুকুরকে যন্ত্রণাদায়ক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং গর্ভধারিণী মা কুকুরদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
- 📌 বিজ্ঞানীরা জানান, জিন পরিবর্তনের জন্য শত শত জিনের মিউটেশন নিয়ে কাজ করতে হয়, যা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস-ভিত্তিক ওয়ারহাউন্ড কোম্পানি সামরিক বাহিনীর জন্য সুপারডগ তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা বেন ল্যাম এবং অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের পামার লাকি এই প্রকল্পের পিছনে দাঁড়িয়েছেন। তারা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মিলিটারি কুকুরের ডিএনএ সংগ্রহ করে বায়োব্যাংকে সংরক্ষণ করেছেন। বিজ্ঞানীরা এই ডিএনএ থেকে ভ্রূণ তৈরি করবেন এবং ল্যাবরেটরিতে জিন এডিটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুপারডগ তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন।
ওয়ারহাউন্ডের মতে, তাদের তৈরি কুকুরগুলো হবে সাধারণ কুকুরের চেয়ে অনেক বড়, শক্তিশালী এবং নিখুঁত পারফরম্যান্স প্রদানকারী। তারা আশা করছেন, এই কুকুরগুলোতে কোনো রোগের জিন থাকবে না, ফলে তাদের আয়ু বাড়ানো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নিখুঁত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় জড়িত নৈতিক ও বিজ্ঞানগত ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসক ও বায়োএথিসিস্ট লিসা মোসেস বলেছেন, ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় অসংখ্য কুকুরকে যন্ত্রণাদায়ক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং গর্ভধারিণী মা কুকুরদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ে। তিনি আরও বলেছেন, জিন পরিবর্তনের জন্য শত শত জিনের মিউটেশন নিয়ে কাজ করতে হয়, যা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়।
"কুকুরের ক্লোন করাটা কোনো জাদুকরী বা নিখুঁত বিজ্ঞান নয়; এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি মারাত্মক অদক্ষ এবং নিষ্ঠুর প্রক্রিয়া।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (টেক্সাস, ডালাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেন ল্যাম (ওয়ারহাউন্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা), লিসা মোসেস (হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ (সুপারডগের প্রথম ব্যাচের জন্মের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!