📌 খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা মানববর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের 'হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন' প্রযুক্তি বিকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন এবং ১০০-১২০ কোটি টাকার পাইলট প্রকল্পের অনুমোদন দেন। বর্জ্য থেকে ৫০-৫৫% বায়োক্রুড উৎপাদন সম্ভব বলে দাবি করা হয়েছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) গবেষকদের উদ্ভাবিত বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। আজ শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়। প্রধানমন্ত্রী এই দেশীয় প্রযুক্তির বাণিজ্যিক বাস্তবায়নের জন্য সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **কুয়েটের গবেষকরা** 'হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন' প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে **৫০-৫৫% বায়োক্রুড** উৎপাদন করতে সক্ষম হন।
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান** সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং **১০০-১২০ কোটি টাকার পাইলট প্রকল্প** বাস্তবায়নের অনুমোদন দেন।
- 📌 **পাইলট প্ল্যান্টের** পরিকল্পনা: **১-৩ টন বর্জ্য** প্রতিদিন প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা, কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।
- 📌 **বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারিত** হলে **১০-১৫% আমদানি তেল** প্রতিস্থাপন সম্ভব, যা **৬ হাজার কোটি টাকা** বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে পারে।
- 📌 **প্রকল্পে** উপস্থিত ছিলেন: স্বাস্থ্য ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম, ইউজিসির সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, কুয়েটের উপাচার্য মোহাম্মদ মাছুদ ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
📰 বিস্তারিত
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক **অধ্যাপক মো. খালেকুজ্জামান** প্রধানমন্ত্রীকে বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, **১০ বছর ধরে চলা গবেষণায়** 'হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন' প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল (বায়োক্রুড) উৎপাদনের **৫০-৫৫% সাফল্য** অর্জন করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও সাফল্য লক্ষ্য করা গেছে।
গবেষকদের মতে, **১০০-১২০ কোটি টাকার পাইলট প্রকল্প** বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এই পাইলট প্ল্যান্টের মাধ্যমে **১-৩ টন বর্জ্য** প্রতিদিন প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা থাকবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নে সরকারি সহায়তার আশ্বাস পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, "প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করার পর বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে।"
গবেষকদের দাবি, যদি প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারিত হয়, তাহলে **১০-১৫% আমদানি করা অপরিশোধিত তেল** প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। এতে **৬ হাজার কোটি টাকা** সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। এছাড়াও, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমবে, পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে এবং দেশীয় জ্বালানিশিল্পের বিকাশ হবে।
"প্রযুক্তিটি বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারিত হলে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী তেজগাঁও, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অধ্যাপক মো. খালেকুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর গবেষণা, ৫০-৫৫% বায়োক্রুড উৎপাদন, ১০০-১২০ কোটি টাকা পাইলট প্রকল্প, ১-৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ, ১০-১৫% আমদানি তেল প্রতিস্থাপন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!