📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র: কয়লা-তেল ছাড়াই ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে রেকর্ড সৃষ্টি

কক্সবাজারের বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র: কয়লা-তেল ছাড়াই ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে রেকর্ড সৃষ্টি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের বাঁকখালীতে স্থাপিত বাংলাদেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। ২৩টি টারবাইন থেকে উৎপন্ন ২ লাখ ৯৬ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের পাশাপাশি সোলার প্রকল্পও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে কক্সবাজার সদর উপজেলার বাঁকখালী নদীর তীরে অবস্থিত বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র। এই ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রকল্পটি দেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত এবং বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশের বিদ্যুৎ সংকটে অবদান রেখেছে কেন্দ্রটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা** নিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র কক্সবাজারে স্থাপিত, যা বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে
  • 📌 **২৩টি টারবাইন** থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ ২০২৩ সালের ২৫ মে থেকে গ্রিডে যুক্ত, বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয় ২০২৪ সালের ৮ মার্চ
  • 📌 **২ লাখ ৯৬ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা** বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে কেন্দ্রটি ২০২৪ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
  • 📌 **৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৯০ মিটার উচ্চতা** বিশিষ্ট প্রতিটি টারবাইন প্রতি সেকেন্ডে ৩ মিটার বাতাসের গতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে
  • 📌 **চীনের অর্থায়নে** বাস্তবায়িত প্রকল্পে ৯০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃক পরিচালিত
  • 📌 **৭০০ ভবনে সোলার প্যানেল** স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৫০০টি হোটেল-রিসোর্ট এবং বাকিগুলো সরকারি-বেসরকারি দপ্তর

📰 বিস্তারিত

বাঁকখালী নদীর তীরে খুরুশকুল এলাকায় স্থাপিত এই বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্রের ২৩টি টারবাইন প্রতিটি ২০ শতক জমি অধিগ্রহণ করে নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি টারবাইনের ব্লেডের দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার এবং খুঁটির উচ্চতা ৯০ মিটার। বাতাসের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ মিটার অতিক্রম করলে টারবাইনগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্রের সমন্বয়কারী কর্মকর্তা এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, “৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই প্রকল্পে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ২০২৩ সালের ২৫ মে থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে শুরু করে। তবে বাণিজ্যিক উৎপাদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০২৪ সালের ৮ মার্চ। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার পর থেকে চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় আড়াই বছরে জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে দেশব্যাপী সরবরাহ করা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বেশি বিদ্যুৎ।”

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এনামুল হক আরও উল্লেখ করেন, “ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট বাড়লে এবং বিশ্ব পরিস্থিতি আরও জটিল হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। বায়ু ও সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে পুরো বিশ্ব। তারই ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে এই প্রকল্প।”

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক আবিদ আহসান সাগর বলেন, “উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে সমুদ্র থেকে দক্ষিণমুখী বাতাস প্রবাহিত হয় এবং এর গতিবেগও তুলনামূলকভাবে ভালো। পাশাপাশি পাহাড় ও সমুদ্রের সমন্বয়ে এখানে প্রাকৃতিকভাবে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে।”

"বাতাসের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩ মিটারের বেশি হলে টারবাইনগুলো প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার সদর উপজেলা, বাঁকখালী নদীর তীরে খুরুশকুল এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এনামুল হক (সমন্বয়কারী কর্মকর্তা), আবিদ আহসান সাগর (কক্সবাজার চেম্বার পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ মেগাওয়াট (ক্ষমতা), ২৩টি টারবাইন, ২ লাখ ৯৬ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা (উৎপাদিত বিদ্যুৎ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖