📌 জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ডেটা সেন্টারগুলো ৪৪৮ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ খরচ করেছে, যা সৌদি আরবের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়েও বেশি। এআই ব্যবহারে বিদ্যুৎ ও পানির খরচ বাড়ছে, যা পরিবেশ ও শক্তি ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে
বিশ্বের ডেটা সেন্টারগুলো এআই চালানোর জন্য প্রতি বছর বিশাল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি খরচ করছে। জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিবেদন জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এসব ডেটা সেন্টার মোট ৪৪৮ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে, যা সৌদি আরবের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়ে বেশি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এ খরচ প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ সালে ডেটা সেন্টারগুলো ৪৪৮ টেরাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে, যা সৌদি আরবের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়ে বেশি
- 📌 এআই-ভিত্তিক ছবি বা ভিডিও তৈরি করতে সাধারণ লেখার চেয়ে চার গুণ বেশি বিদ্যুৎ ও পানি লাগে
- 📌 ২০৩০ সালের মধ্যে এআই ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ ও পানির খরচ প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে
- 📌 পরিকল্পনাহীন ব্যবহারে নির্দিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির চাপ বাড়তে পারে
📰 বিস্তারিত
এআই ব্যবহারে বিদ্যুৎ ও পানির খরচের বিষয়টি এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ফাহিম (ছদ্মনাম) নামের একজন ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তিনি মজা করে একের পর এক এআই ছবি তৈরি করছিলেন। তিনি জানতেন না, তার ফোনের পর্দার পিছনে বিশাল ডেটা সেন্টারগুলো তখনই প্রচুর বিদ্যুৎ ও পানি খরচ করছে। ডেটা সেন্টারগুলোতে হাজার হাজার কম্পিউটার থাকে, যেগুলো এআই চালানোর জন্য প্রচুর শক্তি ও ঠান্ডা রাখার জন্য পানি ব্যবহার করে।
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ লেখার তুলনায় এআই-ভিত্তিক ছবি বা ভিডিও তৈরি করতে চার গুণ বেশি শক্তি ও পানি লাগে। এ কারণে, এআই ব্যবহারকারীদের সচেতন হতে হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এআই পৃথিবীর সব বিদ্যুৎ বা পানি শেষ করে দেবে না, কিন্তু পরিকল্পনাহীন ব্যবহারে নির্দিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির চাপ বাড়তে পারে।
এআই ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু সহজ সতর্কতা রয়েছে। যেমন, একই প্রশ্ন বারবার না করে একবার পরিষ্কার করে লিখতে হবে। ছবি বা ভিডিও তৈরি করতে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে ব্যবহার করতে হবে। এসব ছোট ছোট অভ্যাস একাকী মনে হলেও কোটি কোটি ব্যবহারকারীর হিসাবে বিশাল পার্থক্য গড়ে তোলে।
"এআই পরিবেশের শত্রু নয়। আসলে প্রশ্নটা হলো, কতটা খরচের বিনিময়ে আমরা কী পাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাহিম (ছদ্মনাম), জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদন লেখক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪৮ টেরাওয়াট-ঘণ্টা (২০২৫ সালের বিদ্যুৎ ব্যবহার), ৪ (গুণ) (২০৩০ সালের সম্ভাব্য বৃদ্ধি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!