📌 গ্রামীণফোনের বিনামূল্যে এআই বুটক্যাম্পে ৮০ জন তরুণকে হাতে-কলমে এআই দক্ষতা শেখানো হয়। ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পিচিং ইভেন্টে তিনটি দল বিজয়ী হয় এবং তারা বিনামূল্যে প্রিমিয়াম এআই টুলস পাবে
গ্রামীণফোনের বিনামূল্যে অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গ্রামীণফোন একাডেমি তরুণদের হাতে-কলমে এআই দক্ষতা প্রদানের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করছে। এআই বুটক্যাম্পের মাধ্যমে ৮০ জন নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীকে এআই-চালিত ডিজিটাল সল্যুশন তৈরিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা গ্রামীণফোনের বৃহত্তর এআই মিশনের অংশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮০ জন তরুণকে বাছাই করে গ্রামীণফোন একাডেমি এআই বুটক্যাম্পে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যেখানে তারা এআই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতা অর্জন করেছে।
- 📌 ২১০টিরও বেশি আবেদন থেকে নির্বাচিত ৮০ জন অংশগ্রহণকারীকে নো-কোড এআই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কম্পিটিশনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়, যেখানে শুধু এআই প্রম্পট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয়েছিল।
- 📌 ১২ অক্টোবর জিপিহাউজে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পিচিং ইভেন্টে ‘ট্রেজেক্টরি’ প্ল্যাটফর্ম বিজয়ী হয়, যা এআই-চালিত ক্যারিয়ার পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ সুপারিশ দেয়।
- 📌 প্রথম রানার্স-আপ ‘মাইজিপি কেয়ার’ এবং দ্বিতীয় রানার্স-আপ ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন’ — দুটি প্ল্যাটফর্মই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা সমস্যা সমাধান করবে।
- 📌 বিজয়ী তিনটি দল এক বছরের জন্য বিনামূল্যে প্রিমিয়াম এআই টুলস পাবে এবং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা লাভ করবে।
📰 বিস্তারিত
গ্রামীণফোন একাডেমির এআই বুটক্যাম্পের লক্ষ্য ছিল তরুণদের বাস্তব জীবনের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, এআই-চালিত সমাধান তৈরি এবং মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট (এমভিপি) তৈরিতে দক্ষতা প্রদান। অংশগ্রহণকারীদের আইডিয়েট, বিল্ড, টেস্ট পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে তারা ক্যারিয়ার, দক্ষতা ও মাইজিপি বিষয়ে উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করে।
১২ অক্টোবর জিপিহাউজে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পিচিং ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীরা তাদের উদ্ভাবিত প্ল্যাটফর্মগুলো উপস্থাপন করেন। ‘ট্রেজেক্টরি’ প্ল্যাটফর্মটি রিয়েল-টাইমে ব্যবহারকারীদের দক্ষতা ও সিভি মূল্যায়ন করে ক্যারিয়ার পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ সুপারিশ দেয়। অন্যদিকে, ‘মাইজিপি কেয়ার’ প্ল্যাটফর্মটি স্মার্ট কেয়ার নেভিগেশনের মাধ্যমে বিশ্বস্ত চিকিৎসা সেবার সাথে যুক্ত করার জন্য এআই-চালিত হেলথকেয়ার হাব তৈরি করেছে। ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন’ প্ল্যাটফর্মটি ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও জরুরি মুহুর্তের জন্য এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘এআই আমাদের শেখার, কাজ করার এবং নতুন সুযোগ তৈরি করার ধরণগুলো বদলে দিচ্ছে। গ্রামীণফোনের এআই কর্মসূচি তরুণদের এ রূপান্তরে অংশ নিতে দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এআই-এর ওপর নির্ভর করবে না, বরং নির্ভর করবে তাদের ওপর যারা এটিকে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।’
"এআই যেভাবে আমাদের শেখার, কাজ করার এবং নতুন সুযোগ তৈরি করার ধরণগুলো বদলে দিচ্ছে, তাতে এই রূপান্তরে অংশ নেওয়ার জন্য তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণফোনে আমাদের এআই অ্যান্ড আই কর্মকৌশলে এই ভাবধারাটিই প্রতিফলিত হয়; যেখানে এআই আর কোন কোনো পরীক্ষামূলক বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের কর্মী, কার্যক্রম এবং হাইপার-পার্সোনালাইজড গ্রাহক অভিজ্ঞতার সাথে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জিপিহাউজ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসির আজমান (গ্রামীণফোনের সিইও), অংশগ্রহণকারী ৮০ জন তরুণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ জন অংশগ্রহণকারী, ২১০টিরও বেশি আবেদন, ১২ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!