📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বৈধ ফোনের দাম কমাতে চায় সরকার: অবৈধ মুঠোফোন বন্ধে তৃতীয়বার এনইআইআর চালু করার পরিকল্পনা

বৈধ ফোনের দাম কমাতে চায় সরকার: অবৈধ মুঠোফোন বন্ধে তৃতীয়বার এনইআইআর চালু করার পরিকল্পনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে অবৈধ মুঠোফোন বন্ধে তৃতীয়বারের মতো এনইআইআর চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে বিটিআরসি। সরকার বৈধ ফোনের দাম কমাতে চাইছে এবং ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অবৈধ ফোনের কারণে বছরে ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে বলে জানা গেছে

বাংলাদেশে অবৈধ মুঠোফোন সেট বন্ধে তৃতীয়বারের মতো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই ব্যবস্থা দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। তবে সরকারের উদ্দেশ্য হলো বৈধ মুঠোফোন সেটের দাম কমিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধি করা এবং অবৈধ ফোন বাজারের প্রভাব কমিয়ে আনতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তৃতীয়বারের মতো এনইআইআর চালু: বিটিআরসি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অবৈধ মুঠোফোন সেট বন্ধের লক্ষ্যে এনইআইআর চালু করার পরিকল্পনা করেছে।
  • 📌 দুই ধাপে বাস্তবায়ন: প্রথম ধাপে বৈধ ফোন শনাক্তকরণে নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা (ডি-রেজিস্ট্রেশন) থাকবে না। দ্বিতীয় ধাপে ডি-রেজিস্ট্রেশন চালু হবে।
  • 📌 বৈধ ফোনের দাম কমাতে চায় সরকার: অবৈধ ফোন বাজার থেকে বের করার আগে বৈধ ফোনের দাম কমিয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরকার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
  • 📌 বছরে ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি: অবৈধ মুঠোফোনের কারণে সরকার প্রতি বছর ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
  • 📌 স্বরাষ্ট্র ও এনবিআরের সঙ্গে আলোচনা চলছে: বিটিআরসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে অবৈধ মুঠোফোন সেট বন্ধে তৃতীয়বারের মতো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে বিটিআরসি। আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই ব্যবস্থা দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে বৈধভাবে উৎপাদিত ও আমদানি করা মুঠোফোন সেট শনাক্তকরণে নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা (ডি-রেজিস্ট্রেশন) থাকবে না। পরে দ্বিতীয় ধাপে ডি-রেজিস্ট্রেশন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রকৃত মালিকের মাধ্যমে হ্যান্ডসেটের ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশে ‘অফিশিয়াল’ ও ‘আনঅফিশিয়াল’ মুঠোফোন সেটের বিক্রি চলছে। তুলনামূলক কম দামের কারণে অনানুষ্ঠানিকভাবে দেশে আসা ফোনসেটের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। তবে এতে সরকার প্রতি বছর ২ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসি ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে এনইআইআর চালু করেছিল, কিন্তু অবৈধ ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করার ফিচার বাদ রাখা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর এনবিআর চিঠি দিয়ে পুরোপুরি চালুর দাবি জানিয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ অনুমোদন দেয় এবং ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত হয়।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অনানুষ্ঠানিক মুঠোফোন বিক্রেতাদের বিক্ষোভের পর সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করার ফিচার ছাড়াই ব্যবস্থা চালু রাখে। এরপর ২০২৬ সালের ৯ জুন অর্থনীতি ও জননিরাপত্তার বিষয় উল্লেখ করে এনএসআই চিঠি দেয়। ২ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভায় এবং ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আলোচনা হয়। সর্বশেষ সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে এনইআইআর চালুর প্রস্তাব করা হয়।

বৈধ ফোনের দাম কমাতে চায় সরকার। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, রাজস্ব আয় বাড়াতে অবৈধ ফোন বন্ধ করা প্রয়োজন। তবে বন্ধ করার আগে ক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব কতটা পড়বে তা বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, কম দামে বৈধ সেট সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ হবে। সরকার হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

"রাজস্ব আয় বাড়াতে অবৈধ ফোন বন্ধ করা প্রয়োজন। তবে বন্ধ করার আগে ক্রেতাদের ওপর এর প্রভাব কতটা পড়বে তা বিবেচনায় নিতে হবে। কম দামে বৈধ সেট সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা অনেক সহজ হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সরকারি কার্যালয় ও আলোচনা সভা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফকির মাহবুব আনাম (মন্ত্রী), বিটিআরসি কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি (এনইআইআর চালু), ২ হাজার কোটি টাকা (রাজস্ব ক্ষতি), ১ জুলাই ২০২১ (পরীক্ষামূলক চালু), ২৯ অক্টোবর ২০২৪ (এনবিআর চিঠি), ২৮ জুন ২০২৫ (অনুমোদন), ১ ডিসেম্বর ২০২৫ (সিদ্ধান্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖