📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুগল সার্চ ও এআই ব্যবহারে প্রতিদিন কত পানি বাষ্প হয়ে যায়?

গুগল সার্চ ও এআই ব্যবহারে প্রতিদিন কত পানি বাষ্প হয়ে যায়?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গুগল সার্চ ও এআই ব্যবহারে প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে বিপুল পরিমাণ পানি খরচ হয়। একটি সাধারণ সার্চে ০.৬ মিলিলিটার পানি খরচ হয়, কিন্তু ৯০০ কোটি সার্চের কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ লিটার পানি বাষ্প হয়ে যায়। এআই ব্যবহারে এই পরিমাণ আরও বেড়ে যায়, যেখানে একটি ছবি তৈরি করতে ২৩ মিলিলিটার পানি লাগে

প্রতিদিনের কাজের ফাঁকে গুগলে কিছু লিখে সার্চ দেওয়ার সময় আমরা প্রায়ই ভাবি না যে, এই একটু চাপা আঙুলের টিপে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ডেটা সেন্টারগুলোতে কত বিপুল পরিমাণ পানি খরচ হয়ে যাচ্ছে। সার্ভারগুলোকে ঠান্ডা রাখতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে জড়িত পানির ব্যবহারকে বিবেচনা করলে, প্রতিটি সার্চের পেছনে লুকিয়ে থাকা পানির ফুটপ্রিন্ট অনেক বেশি চমকপ্রদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 একটি সাধারণ গুগল সার্চে খরচ হয় মাত্র ০.৬ মিলিলিটার পানি, যা এক ফোঁটার চেয়ে কম, কিন্তু প্রতিদিন ৯০০ কোটি সার্চের কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ লিটার পানি বাষ্প হয়ে যায়।
  • 📌 ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারগুলোতে খরচ হয়েছে ৬০০ কোটিরও বেশি পানযোগ্য বিশুদ্ধ পানি, যা যুক্তরাষ্ট্রের ৪১টি গলফ কোর্সের বার্ষিক সেচের পানির সমান।
  • 📌 গুগলের আইওয়ার কাউন্সিল ব্লাফস কেন্দ্রটিই এক বছরে খরচ করেছে প্রায় ৯৮ কোটি গ্যালন পানি, যা দিনে গড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার গ্যালন।
  • 📌 একটি সাধারণ এআই চ্যাটে ২০ থেকে ৫০টি প্রশ্ন-উত্তর চালালে প্রায় আধা লিটারের পানি খরচ হয়, আর একটি ছবি তৈরি করতে লাগে ২৩ মিলিলিটার পানি।
  • 📌 সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু রাখতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সাথে জড়িত পানি খরচও বাড়িয়ে দেয়, যেখানে প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাড়ে চার লিটার পানি লাগে।

📰 বিস্তারিত

গুগল সার্চ বা এআই ব্যবহারে আমরা কত পানি খরচ করছি, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে খুব কমই সচেতনতা রয়েছে। প্রতিটি সার্চের পেছনে কাজ করে বিশাল ডেটা সেন্টারগুলো, যেখানে সার্ভারগুলো ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। এই সার্ভারগুলোতে প্রচণ্ড তাপ জমে, তাই তাদের ঠান্ডা রাখতে বিশাল কুলিং টাওয়ার ব্যবহার করা হয়। এই কুলিং প্রক্রিয়ায় প্রতিদিন দিনে গড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার গ্যালন পানি ব্যবহার হয়, যা মোটামুটি ১৬০ জোড়া জিন্স তৈরির জন্য তুলা চাষে ব্যবহৃত পানির সমান।

গুগল নিজেদের জেমিনাই মডেলের হিসাব অনুযায়ী, একটি টেক্সট প্রম্পটের জন্য সরাসরি খরচ হয় মাত্র ০.২৬ মিলিলিটার পানি। তবে গবেষকদের আলাদা গবেষণা থেকে দেখা যায়, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরোক্ষ খরচ যুক্ত করলে প্রতিটি প্রম্পটের পানি খরচ বেড়ে যায় ১৬ মিলিলিটার পর্যন্ত। সাধারণ কথোপকথনভিত্তিক এআই চ্যাটে ২০ থেকে ৫০টি প্রশ্ন-উত্তর চালালে তা প্রায় আধা লিটারের পানি শুষে নিতে পারে। এআই দিয়ে ছবি তৈরি করলে এই খরচ আরও বেড়ে যায়, প্রতিটি ছবির পেছনে বের হয়ে যায় প্রায় ২৩ মিলিলিটার পানি।

২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ডেটা সেন্টারগুলোতে খরচ হয়েছে ৬০০ কোটিরও বেশি পানযোগ্য বিশুদ্ধ পানি। এই পরিমাণ পানি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪১টি গলফ কোর্সের বার্ষিক সেচের পানির সমান। গুগলের আইওয়ার কাউন্সিল ব্লাফস কেন্দ্রটিই এক বছরে খরচ করেছে প্রায় ৯৮ কোটি গ্যালন পানি।

"গড়ে একেকটি কেন্দ্র দিনে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার গ্যালন পানি ব্যবহার করে, যা মোটামুটি ১৬০ জোড়া জিন্স তৈরির জন্য তুলা চাষে ব্যবহৃত পানির সমান!"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টার (যুক্তরাষ্ট্র, গুগলের আইওয়ার কাউন্সিল ব্লাফস কেন্দ্র)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গুগল, গবেষক শাওলেই রেন (ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রিভারসাইড)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০.৬ মিলিলিটার (সাধারণ সার্চ), ৯০০ কোটি (দৈনিক সার্চ), ৬০০ কোটি+ গ্যালন (২০২৩ সালের পানি ব্যবহার), ৯৮ কোটি গ্যালন (আইওয়ার কেন্দ্রের বার্ষিক পানি ব্যবহার), ২৩ মিলিলিটার (এআই ছবি তৈরি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖